ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ওয়ানডে লড়াইয়ের ইতিহাস দুই দশকেরও বেশি সময়ের। এতে জয়ের পাল্লা ভারতেরই দিকে ঝুঁকে আছে। তবে স্মরনীয় কয়েকটি জয় আছে টাইগারদেরও। ২০০৭ এ টাইগারদের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়ার ঘটনা ভারত এখনও ভুলতে পারেনি।
এরপর ২০১২ এশিয়া কাপেও ভারতকে হারানোর কৃতিত্ব রয়েছে বাংলাদেশের। টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে গৌরবময় জয়ের বেশকটি ম্যাচের নায়ক মাশরাফি ও সাকিব। এবারো তারা আছেন দলে। তাছাড়া এবারের আসরে টাইগারদের দুর্দান্ত পারফরমেন্সে কোয়ার্টার ফাইনালে ভারত বধের স্বপ্ব দেখছেন ভক্ত ও বিশেষজ্ঞরা।
ওয়ানডে ক্রিকেটে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের খেলার অভিজ্ঞতা দুই দশকেরও বেশি সময়ের। প্রথম মোকাবেলা ১৯৮৮ সালে। এশিয়া কাপের সেই ম্যাচে শোচনীয়ভাবে হারে গাজী আশরাফ লিপুর দল।
১৬ বছর পর টিম ইন্ডিয়ার বিপক্ষে প্রথম জয়ের স্বাদ পায় টাইগাররা। ২০০৪ সালে ঢাকায় ৩ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে, গাঙ্গুলির দলকে ১৫ রানে হারায় সুমনবাহিনী। অপরাজিত ৩১ রান ও ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন মাশরাফি।
২০০৭ সালে বিশ্বকাপে আসে ঐতিহাসিক জয়। দ্রাবিড়ের নেতৃত্বাধীন ভারতকে হারিয়ে সুপার এইটে পৌছে যায় বাংলাদেশ। আর ভারতকে বিদায় নিতে হয় প্রথম রাউন্ড থেকেই। ৪ উইকেট নিয়ে ওই ম্যাচের নায়কও মাশরাফি বিন মুর্তজা।
২০১২ এশিয়া কাপেও ভারতকে হারানোর রেকর্ড আছে বাংলাদেশের। সেই ম্যাচে সাকিব ম্যাচ সেরা হলেও ঠিকই ২ উইকেট ঝুলিতে পুরেছিলেন মাশরাফি।
ভারতের বিপক্ষে সবকটি জয়ে কালের সাক্ষী হয়ে থাকা মাশরাফির কাধেই এবার বাংলাদেশের দায়িত্ব। সেইসঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিপক্ষ সেই ভারত। আর এবারের বিশ্বকাপে টাইগারদের যে পারফরমেন্স তাতে শেষ আটে ভারতকে হারানোর স্বপ্ন দেখাটা খুব বেশি কিছু নয়।
অবশ্য ইতিহাস-পরিসংখ্যান ভারতের পক্ষে। ওয়ানডেতে দুই দলের ২৮ মোকাবেলায় ২৪ বারই জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। তবে তাতে কী? নক আউট পর্বে যে দিন যে দল ভাল খেলবে তারাই হাসবে শেষ হাসি। এবারের পারফরমেন্স বলছে ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশের সেমিতে যাবার সম্ভবনা কম নয়।