নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে পঞ্চমবার বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মেলবোর্নে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ১৮৪ রানের লক্ষ্য অসিরা টপকে গেছে ১০১ বল হাতে রেখেই।
ক্যারিয়ারের বিদায়ী ম্যাচ খেলা মাইকেল ক্লার্ক ৭৪ এবং স্টিভেন স্মিথ অপরাজিত ৫৬ রান করেন।
১৮৩ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অবশ্য শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ট্রেন্ট বোল্টের বলে কট অ্যান্ড বোল্ড'র শিকার হন অ্যারন ফিঞ্চ।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪৫ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৮৩ রান করে নিউজিল্যান্ড।
প্রথমবার ফাইনালে খেলা নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ভালো হয়নি। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ব্যাট করতে নেমে ৩ বলে ০ রান করে স্টার্কের বলে আউট হন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।
সেই ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতেই ৩৯ রানের মধ্যে ফিরে যান মার্টিন গাপটিল আর কেন উইলিয়ামসনও। বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক গাপটিল ১৫ রান করে ফিরে যান গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বলে বোল্ড হয়ে।
আর রান করতে হিমশিম খাওয়া উইলিয়ামসন ৩৩ বলে ১২ রান করে জনসনের বলে তার হাতেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
দলীয় রান ৪০ পেরোনোর আগেই সাজঘরে ফিরে যান টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১১১ রান তুলে সেই ধাক্কা সামাল দেন রস টেলর ও গ্রান্ট ইলিয়ট।
তবে টেলর বিদায় নিতে ফের বিপর্যয়ে পড়েছে কিউইরা। পরপর ফিরে গেছেন কোরে অ্যান্ডারসন আর লুক রংকিও।
জেমস ফকনারের বলে ব্রাড হাডিনকে ক্যাচ দেয়ার আগে ৭২ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলেছেন রস টেলর।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক এবং জেমস ফকনার। অপর দুই উইকেট গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং মিচেল জনসনের।
বিশ্বকাপ ক্রিকেটের শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে দুই দলই সেমিফাইনালের অপরিবর্তিত একাদশ নামিয়েছে। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার জন্য এটি সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা হলেও নিউজিল্যান্ডের জন্য প্রথম।
এরমধ্যে গত দশ বিশ্বকাপের ৪টিতেই শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া।