বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত কোয়ার্টার ফাইনালে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্য দুই আম্পায়ারের শাস্তি চেয়ে আপিল করতে সরকার ও বিসিবিকে নোটিশ পাঠিয়েছেন ঊচ্চ আদালতের এক আইনজীবী।
আম্পায়ারিং ও ক্ষতিপূরণের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল-আসিসির কাছে আপিল করতে ক্রীড়া সচিব, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও জাতীয় দলের টিম ম্যানেজারকে লিগাল নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।
মঙ্গলবার সকালে ইউনুস আলি আকন্দ এ নোটিস পাঠান।
এ বিষয়ে টেলিফোনে দেশটিভিকে আকন্দ জানান, ভারতকে ম্যাচে জিতানোর উদ্দেশ্যেই আম্পায়াররা কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে মনে করেন তিনি।
গত ১৯ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে, বাংলাদেশ ভারতের কাছে ১০৯ রানে হেরে যায়।
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ওই ম্যাচে ভারতের কাছে ১০৯ রানে হারে বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাট করতে নামা ভারতের ইনিংসের ৪০তম ওভারে ‘বিতর্কিত’ সিদ্ধান্তটি দেন আম্পায়ার আলিম দার ও ইয়ান গৌল্ড।
ওভারের চতুর্থ বলটি ফুলটস দিয়েছিলেন রুবেল হোসেন। বলটিতে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ইমরুল কায়েসকে ক্যাচ দেন ভারতের রোহিত শর্মা। তবে পাকিস্তানের আম্পায়ার দার বোলিং প্রান্তে থাকা ইংল্যান্ডের আম্পায়ার গৌল্ডকে বলটি কোমরের ওপরে ছিল বলে সংকেত দেন। গৌল্ড তখন ‘নো’ ডাকলে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।
এছাড়া মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের আউট নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা হয়।
আইনজীবী আকন্দ বলেন, “আমি খেলা দেখেছি, আমার কাছে মনে হয়েছে, তামিমের কট বিহাইন্ডটিও ঠিক হয়নি। একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত দিয়ে আম্পায়াররা তাদের আচরণবিধি লংঘন করেছেন, যা আইসিসির বিধি অনুসারেই শাস্তিযোগ্য।
নোটিশে আমি বলেছি, এভাবে বাংলাদেশ দলকে ইচ্ছাকৃতভাবে পরাজিত করায় ক্ষতিপূরণ হিসাবে বিশ্বকাপ ট্রফির দ্বিগুণ মূল্য এবং বাংলাদেশের হারানো গুডউইলের মূল্য হিসাব করে ক্ষতিপূরণ হিসাবে দিতে হবে। এ ম্যাচে পাকিস্তানের আলিমদার ও ইংল্যান্ডের ইয়ান গুল্ডের বিরুদ্ধে বাজে আম্পায়ারিংয়ের অভিযোগ ওঠে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ লিগ্যাল নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানান আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ।