বাংলাদেশের এক ইনিংসে দুই সেঞ্চুরি হাকানোর রেকর্ড গড়লেন তামিম-মুশফিক। বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি এখন মুশফিকুর রহিমের। ড্যান কেক সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানি বোলারদের শাসন করেই ক্যারিয়ারের তৃতীয় ও পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছেন মুশফিক।
শুক্রবার মিরপুরে রান খরা কাটিয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করলেন তামিম ইকবাল। প্রায় ২ বছর পর দেখা পেলেন সেঞ্চুরির। এটি তার ক্যারিয়ারের পঞ্চম ও পাকিস্তানের বিপক্ষে তার প্রথম সেঞ্চুরি।
বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৫ রানের ইনিংসের পর ব্যাটে রান ছিল না তামিমের। সমালোচনা শুনতে হয়েছে অনেক। তাই হয়তো পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতেই আগুন ঝড়ালেন তামিম। ব্যাট প্যাচ থেকে বেরিয়ে এসে, ৩টি ছয় ও ১৫টি চারে ১৩৫ বলে খেলেছেন ১৩২ রানের বিদ্ধংসী ইনিংস।
শুরুতে স্ট্রোক খেলেই রানের গতি সচল রেখেছিলেন তিনি। এরপর বল দেখে শুনে খেলতে থাকেন। হাফসেঞ্চুরি তুলে নেয়ার পর আরও আত্মবিশ্বাসী তামিম এগিয়ে যান সেঞ্চুরির দিকে। নার্ভাস নাইন্টিজে আউটে হওয়াটা তামিমের পুরোনো শত্রু। তবে এ ম্যাচে আর ভুল হয়নি। নেটে ঘাম ঝড়ানোর সুফল পেলেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরিতে। ২০১৩ সালে হাম্বানটোটায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবশেষ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন তামিম।
তামিম খেলবেন আর টাইগারদের সব থেকে ধারাবাহিক পারফরমার তা তাকিয়ে দেখবেন এমন টা হতে পারে না। তাই রানের বন্যা বইলো মুশফিকের ব্যাটেও। তামিমের থেকেও বিদ্ধংসী তার ইনিংস পঞ্চাশ পেরোলো ৪২ বলে। ৬৯ বলে সেঞ্চুরি। তার ঝড়ো ইনিংসে বাংলাদেশের রানরেট বাড়লো তরতর করে। এর আগে মুশফিক সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন ভারত ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি ও পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম শতক তুলে মুশি আউট হন ১০৭ রানে।