তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের সেঞ্চুরিতে খুলনা টেস্টে দারুনভাবে পাকিস্তানকে জবাব দিচ্ছে বাংলাদেশ। ৪র্থ দিন শেষে সফরকারীদের চেয়ে ২৩ রানে পিছিয়ে আছে টাইগাররা। পাকিস্তানের ৬২৮ রানের জবাবে বাংলাদেশের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২৭৩ রান।
৭টি সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে এখন সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক তামিম ইকবাল। যে কোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটিও এখন তামিম ও ইমরুলের।
শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ৫ উইকেটে ৫৩৭ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করে পাকিস্তান। ফিফটি তুলে নেওয়া দুই ব্যাটসম্যান আসাদ শফিক ও সরফ্রাজ আহমেদকে ব্যক্তিগত ৮৩ ও ৮২ রানে ফেরত পাঠান সাকিব আল হাসান ও মোহাম্মদ শহিদ।
ওয়াহাব রিয়াজ, ইয়াসির শাহ ও জুলফিকার বাবরকে সাজঘরে পাঠিয়ে লাঞ্চের আগেই পাকিস্তানের ইনিংসের ইতি টানেন তাইজুল ইসলাম। ৬২৮ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ১৬৩ রানে ৬ উইকেট নেন তাইজুল। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো ৫ বা তার অধিক উইকেট শিকার করলেন এই বাঁহাতি স্পিনার।
২৯৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস।
পাকিস্তানি বোলারদের শাসন করতে থাকেন এই দুই বাঁহাতি ওপেনার। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে আগের দুই টেস্টে সেঞ্চুরির পর এ টেস্টেও শতক হাকিয়ে টানা তিন টেস্টে সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব দেখালেন তামিম ইকবাল।
১২৩ বলে ১১টি চার ও ৩টি ছক্কায় শতক হাঁকান এই ড্যাশিং ওপেনার। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭টি সেঞ্চুরির মালিকও এখন তামিম।
সেঞ্চুরি করেন ইমরুল কায়েসও। ১১টি চার ৩টি ছক্কায় ১৫৩ বল খেলে ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক তুলেন নেন ইমরুল।
এ দুজনে মিলে প্রথম এবং যে কোন উইকেট জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েন। এর আগে প্রথম উইকেটে সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ ছিলো ২২৪ রানের। প্রতিপক্ষ ছিলো জিম্বাবুয়ে।
২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মোহাম্মদ আশরাফুল ও মুশফিকুর রহিমের ২৬৭ রানের জুটি ছিলো যে কোন উইকেটে সর্বোচ্চ। উভয় রেকর্ডই ছাড়িয়ে গেলেন তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৭৩ রান নিয়ে দিন শেষ করে বাংলাদেশ। ১৩৮ রানে তামিম ও ১৩২ রানে অপরাজিত আছেন ইমরুল কায়েস।