মুশফিকুর রহিমের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন তামিম ইকবাল। এর আগে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো দলের দ্বিতীয় ইনিংসে, উদ্বোধনী জুটিতে তিনশো রানের বিশ্বরেকর্ড উপহার দেন তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস।
৫৫ বছর আগে ইংল্যান্ডের কলিন কাউড্রে ও জিওফ পুলারের করা ২৯০ রানের রেকর্ড ভাঙলেন বাংলাদেশের এ দুই ওপেনার।
খুলনা টেস্টের তৃতীয় দিনেও কে ভেবেছিলো যে, এমনভাবে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের করা প্রথম ইনিংসে ৬২৮ রানের পাহাড়ের নিচে চাপাপড়া শঙ্কায় চিন্তিত ছিলেন অনেকেই। তবে সব দুশ্চিন্তাকে উড়িয়ে দিয়ে উল্টো পাকিস্তানী বোলারদেরই কপালে চিন্তার রেখে একে দিয়েছেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। চতুর্থ দিনে তো আউটই হননি কেউ। দুজনেই তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি।
বাংলাদেশের পক্ষে করেছেন ওপেনিং এবং যে কোন উইকেট জুটিতে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসের রেকর্ড।
শেষ দিনেও সমান তালে খেলে যান তামিম-ইমরুল। ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় বারের মতো দেড়শো রানের কোটা পার করেন তামিম ইকবাল।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ সিরিজে সেঞ্চুরির পর বিশ্বকাপে বাজে খেলায় সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ইমরুল। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে ডাক পাওয়া নিয়েও হয়েছেন বিতর্কিত। তবে, সমালোচকদের মুখ পারফর্মেন্স দিয়েই বন্ধ করে দিলেন ইমরুল কায়েস। দেড়শো রান আসলো তার ব্যাট থেকেও।
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে তৃতীয় ইনিংসে প্রথমবারের মতো উদ্বোধনী জুটিতে ৩০০ রান করার কৃতিত্ব দেখালেন এ জুটি। ১৯৬০ সালে ইংল্যান্ডের কলিন কাউড্রে ও জিওফ পুলারের ২৯০ রান টপকে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়লেন তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস।
উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ রানের ৫৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের নাম এখন সবার উপরে।
জুলফিকার বাবরের বলে ব্যক্তিগত ১৫০ রানে ইমরুল কায়েস ফেরত গেলে ৩১২ রানে সমাপ্তি হয় এই মহাকাব্যিক জুটির।