ওয়ানডের পর টেস্ট অভিষেকেও স্লোয়ার আর কাটারের জাদু দেখালেন মুস্তাফিজুর রহমান। সাদা পোষাকে প্রথম ম্যাচেই সর্বসেরা টেস্ট দলকে নাস্তানাবুদ করেছেন তিনি।
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিন শেষে মুস্তাফিজ নৈপুন্যে টাইগাররাও রয়েছে ম্যাচে শক্তিশালী অবস্থানে। মুস্তাফিজের পাশাপাশি বোলিং ডিপার্টমেন্টের বাকিরাও উজ্জলতা ছড়িয়েছেন। তবে আমলাবাহিনীর ব্যাটিং লাইন আপের মেরুদন্ড ভাঙার কৃতিত্বটা দিতেই হবে সাতক্ষীরা সায়ানাইডকে।
বাংলাদেশের হয়ে ৭৮তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে ম্যাচে অভিষিক্ত হন মুস্তাফিজ। আর তাকে টেস্ট ক্যাপটা পরিয়েছেন টাইগারদের সিনিয়র পেসার রুবেল হোসেন।
প্রতিপক্ষ শিবির বেশ ভালই হোমওয়ার্ক করেছে মুস্তাফিজকে নিয়ে। ডেব্যুটেন্টের প্রথম স্পেল ঠাণ্ডা মাথায় মোকাবেলা করে তারই ইঙ্গিত দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানরা।
তবে ইনিংসের ৬০তম ওভারে ঘুরে গেল ম্যাচের গতিপথ। এবারের বাংলাদেশ সফরে হাশিম আমলার জন্য রীতিমতো জমদূতে পরিণত হয়েছেন মুস্তাফিজ। টেস্টে নিজের প্রথম উইকেটটাও অর্জন করলেন হাশিম আমলাকে আউট করে।
মাত্র ১ বল খেলার জন্য ক্রিজে নেমেছিলেন জেমি ডুমিনি। মুস্তাফিজের বল বুঝতে না পেরে ০ রানে লেগবিফোর হয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরত যেতে হয় তাকে।
হ্যাটট্রিক না হওয়াটা মুস্তাফিজের জন্য ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়েছে। এ ম্যাচেও সম্ভাবনা জাগিয়েও সেটি অর্জন হলো না তার।
আমলা ও ডুমিনি আউট হলে তার এক বল পরে বাতাসে উড়ল কুইন্টন ডি ককের উইকেটও। ৩ উইকেটে ১৭৩ রান করা দক্ষিণ আফ্রিকা এক ওভারের বিরতিতে ৬ উইকেটে করে ১৭৩ রান।
এরপর প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করা বাভুয়ার উইকেট নিয়ে ইনিংসের শেষ উইকেটটিও নিয়েছেন মুস্তাফিজ।
১৭ ওভার ৪ বল করে ৩৭ রান দিয়েছেন তিনি এ ইনিংসে। সেই সঙ্গে ৬টি মেডেনের পাশাপাশি চার উইকেট প্রমাণ দিচ্ছে টেস্টের সেরা দলের বিরুদ্ধে তার আধিপত্যএর।