অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সঙ্গে তারুণ্যের মিশেলেই বদলে গেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট দল। এমনটাই মনে করছেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটাররা।
সাবেক অধিনায়ক রকিবুল হাসান বলেন, সৌম্য সরকার, মুস্তাফিজুর রহমান, সাব্বির রহমান ও লিটন দাশদের মতো উদীয়মান ক্রিকেটাররাই বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যত কাণ্ডারি। আরো বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেলে তারা ভবিষ্যতে আরো ভালো করবে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বয়সভিত্তিক ক্রিকেট কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি আরো বলেন, তরুনদের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সঙ্গে আরো বেশি সংখ্যক ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিলে ও যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করলে ভবিষ্যতে তারা আরো ভালো করবে বলে।
২০১৪ সালের প্রথম ১০ মাসে বাংলাদেশের কোন জয়ই ছিল না। তবে পরের ২০ ম্যাচের ১৫টিতেই জয় টাইগারদের।
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার পরেই সবচেয়ে ভালৌ পারফরমেন্স বাংলাদেশের। জিম্বাবুয়ে, ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলগুলোকে নাস্তানাবুদ করে বিশ্বক্রিকেটে নিজেদের জাত চেনাচ্ছে টাইগাররা।
প্রশ্ন উঠতে পারে, হঠাৎ কী এমন জাদুর কাঠির সন্ধান পেলো বাংলাদেশ। ক্রিকেট বোদ্ধারা বলছেন, কোচ ও অধিনায়কের তো অবশ্যই, সেইসঙ্গে নতুন ক্রিকেটারদেরও অবদান আছে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ দলে।
টাইগারদের বিস্ময় মুস্তাফিজুর রহমান, অভিষেকেই রেকর্ডবুকে নিজের নাম উঠিয়েছেন এ উদীয়মান পেসার। প্রথম দুই ওয়ানডেতে ১১ উইকেট শিকারের বিরল কীর্তি দেখিয়েছেন তিনি।
বিশ্বকাপ থেকেই সাহসি ক্রিকেট খেলে সবার নজর কেড়েছেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার। ব্যাট হাতে বোলারদের শাসন করে জয় করে নিয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়। এছাড়াও জাতীয় দলের হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন সাব্বির রহমান, লিটন দাশ ও রনি তালুকদাররা।