হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুস সাদেক, সহ-সভাপতি করা হয়েছে খাজা রহমতউল্লাহকে। শুক্রবার সকালে গভর্নিং বডির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এছাড়া ঘরোয়া লিগে দল বদলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩-১৫ ডিসেম্বর। খেলোয়াড়রা যেন দ্রুত জাতীয় দলের ক্যাম্পে ফেরেন সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে এ সভায়।
গত প্রায় আড়াই বছর ধরে সংকট চলছে বাংলাদেশের হকিতে। ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের ব্যর্থতায় এবং বারবার জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ক্যাম্প বর্জনে অবশেষে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে হস্তক্ষেপ আসে। হকির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পান এয়ার মার্শাল আবু এশরার।
তার সভাপতিত্বে সকালে হকি ফেডারেশনের গভর্নিং বডির বৈঠক বসে। এ বৈঠকে হকির ২টি পদে আনা হয়েছে পরিবর্তন। বাংলাদেশ হকি দলের প্রথম অধিনায়ক আব্দুস সাদেককে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব চ্যালেঞ্জিং তবে সবার সহযোগিতায় হকি ফেডারেশনে অচলাবস্থা কেটে যাবে বলে আশাবাদী বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাদেক।
সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেয়ায় বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন সহ-সভাপতি খাজা রহমদউল্লাহ বলেন, সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উঠেনি তার বিরুদ্ধে।
এদিকে, ঘরোয়া লিগে দল বদল না হওয়ায়, জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা বর্জন করেছেন এসএ গেমসের ক্যাম্প। নতুন সভাপতির বিশ্বাস, হকির স্বার্থে খেলোয়াড়রা ফিরবেন জাতীয় দলের ক্যাম্পে। আগামী ১৩-১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দলবদল করতে হবে।