সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের নৈপুন্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় দিয়েই সিরিজ শুরু করলো বাংলাদেশ। মিরপুরে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সফরকারীদের ১৪৫ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি ও সাব্বির রহমানের ফিফটিতে ভর করে জিম্বাবুয়েকে ২৭৪ রানের টার্গেট দেয় মাশরাফি বাহিনী। জবাব দিতে নেমে ৩৬ ওভার ১ বলে ৯ উইকেটে ১২৮ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। সৌম্য সরকারের ইনজুরিতে তামিম ইকবালের সঙ্গে ইনিংস শুরু করেন লিটন দাশ। তবে, শুরুটা ভালো হয় নি। রানের খাতা খোলার আগেই দ্বিতীয় ওভারে জঙ্গুয়ের শিকারে পরিনত হন লিটন।
খুব একটা সুবিধা করতে পারেন নি মাহমুদুল্লাহও। ২০ বলে ৯ রান করে পানিয়াঙ্গারার বলে বোল্ড হয়ে ফিরেন সাজঘরে।
তামিম ইকবালকে নিয়ে রানের চাকা ঘোরাতে শুরু করেন মুশফিকুর রহিম। তৃতীয় উইকেটে আসে ৭০ রান। ৪০ রান করেন তামিম ইকবাল।
তামিমের পর মুশফিককে সঙ্গে যোগ সাকিব আল হাসান। কিন্তু ১৬ রান করেই শেষ সাকিবের ইনিংস।
তবে, সাব্বিরের সঙ্গে জুটিটা দারুণ জমিয়ে ফেলেন মুশফিক। দুজনে মিলে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ১১৯ রান।
দুজনেই সাজ ঘরে ফিরেন রান আউট হয়ে। এর আগে সাব্বির ৫৭ আর মুশফিক করেন ১০৭ রান। এটি মুশফিকের ক্যারিয়ারের চতুর্থ ওডিআই সেঞ্চুরি।
এরপর মাশরাফি বিন মর্তুজার ১৪ ও আরাফাত সানির ১৫ রানে ভর করে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেটে ২৭৩ রান তোলে বাংলাদেশ।
জবাব দিতে নেমে দেখেশুনে খেলতে থাকে জিম্বাবুয়ে। নবম ওভার পর্যন্ত কোনো উইকেট হারায়নি তারা। এরপর সাকিব আল হাসানের হাতে বল তুলে দেন মাশরাফি। ব্রেক থ্রু এনে দেন সাকিব।
কিছুক্ষণ পর আরভিনকেও ফেরান দেশসেরা এই অলরাউন্ডার।
একপ্রান্ত আগলে খেলছিলেন জঙ্গুয়ে। ব্যক্তিগত ৩৯ রানে তাকে সাজঘরের পথ দেখান আল আমিন।
এরপর এলটন চিগুম্বুরা ছাড়া আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি সাকিব, মাশরাফিদের সামনে। চিগুম্বুরা করেন সর্বোচ্চ ৪১ রান।
৩৬ ওভার ১ বলে ১২৮ রান তুলতেই ৯ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। মুতুম্বামি ইনজুরির কারণে ব্যাট করতে না আসলে ১৪৫ রানের জয় পায় বাংলাদেশ। ৪৭ রানে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট নেন সাকিব আল হাসান। ৯ নভেম্বর একই ভেন্যুতে হবে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে।