জয় দিয়েই টি-টোয়েন্টি মিশন শুরু করেছে বাংলাদেশ। রাজধানীর মিরপুরে শুক্রবার প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা।
সফরকারিদের দেয়া ১৩২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৭.৪ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৬ রান করে মাশরাফি বাহিনী। ৩১ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন জিম্বাবুয়ের ম্যালকম ওয়ালার।
প্রথম ওভারেই জিম্বাবুয়ের প্রথম উইকেটের পতন। টস জিতে ফিল্ডিং নেয়া বাংলাদেশের প্রথম ব্রেক থ্রু আসে অধিনায়ক মাশরাফির বলে। জিম্বাবুইয়ান ওপেনার সিকান্দার রাজা ফিরে যান ৪ রানে।
পরের ওভারেই উইকেট পান আল-আমিন। তৃতীয় ওভারে আবারো মাশরাফি-ম্যাজিক। রান করার আগেই জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক এলটন চিগুম্বুরাকে বোল্ড করেন নড়াইল এক্সপ্রেস।
এরপর আরভাইনের সঙ্গে ২৮ রানের জুটি গড়েন উইলিয়ামস। কিন্তু উইলিয়ামসকে আউট করে সে জুটিও দাঁড়াতে দেনননি নাসির। ৪ উইকেটে হারিয়ে ৮ ওভার ৪ বলে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ তখন ৩৮ রান।
দশম ওভারে শুরু হয় ওয়ালার ঝড়। জুবায়েরের অভিষেক টি-টোয়েন্টির প্রথম ওভারেই ১৭ রান তুলে নেন ওয়ালার। বাংলাদেশি বোলারদের তুলোধুনো করে ২০ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। এটি টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের দ্রুততম অর্ধশতক।
ওয়ালার-আরভাইনের ৬৭ রানের জুটি ভাঙেন মাহমুদুল্লাহ। ২০ রান করে মাহমুদুল্লাহর বলে বোল্ড হন আরভাইন। পরের ওভারেই দুটি উইকেট তুলে নেন জুবায়ের।
ওয়ালারের ৩১ বলে ৬৮ রানের ইনিংসের ইতি টানেন মুস্তাফিজ। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভার ৩ বলে, ১৩১ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। দুটি করে উইকেট নেন আল-আমিন, জুবায়ের, মুস্তাফিজ ও অধিনায়ক মাশরাফি।
১৩২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ওভারেই রান আউট হন ওপেনার এনামুল হক বিজয়।
তামিম ২৮ বলে ৩১ রান করলেও, ত্রিশের কোটা পেরুতে পারেননি অন্যরা। ছোট ছোট ইনিংস আসে সাব্বির, নাসির ও লিটনের ব্যাট থেকে। সাব্বির ১৬ বলে ১৮, নাসির ১২ বলে ১৬ রান ও লিটন করেন ১২ বলে ১৭ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান আসে মাহমুদুল্লাহর ব্যাট থেকে। এছাড়াও ১২ বলে ১৫ রান করেন অধিনায়ক মাশরাফি। ছক্কা মেরেই টাইগারদের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ১৭ ওভার ৪ বলে ১৩৬ রান করে বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের এই জয়ে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল টিম মাশরাফি। সিরিজের ২য় ও শেষ টি-টোয়েন্টি হবে রোববার।