হাইভোল্টেজ ম্যাচে সিলেট সুপারস্টার্সেকে একরানে হারিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের দেখা পেল চিটাগং ভাইকিংস। আর হার দিয়ে শুরু হলো সিলেট সুপারস্টার্সের বিপিএল।
সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে চিটাগং ভাইকিংসের ১৮০ রানের জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে সিলেট করে ১৭৯ রান।
প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও দুর্দান্ত শুরু ছিল ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবালের।
তবে অন্য প্রান্তে গোল্ডেন ডাকে ড্রেসিং রুমে ফিরেন ওপেনিং সঙ্গী দিলশান।
আগের দিন বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে ৫১ রানে থামলেও এ ম্যাচে তামিমের ইনিংস ছিল আরো লম্বা। ৬টি চার ও ৪টি ছয়ে সাজানো তার ইনিংসটি ছিল ৬৯ রানের।
দুই ম্যাচে ব্যাক টু ব্যাক হাফ সেঞ্চুরি করেন চট্টগ্রামের আইকন। তামিম যখন সাজঘরের পথ ধরেন ততক্ষণে প্রথম ম্যাচের মতো এ ম্যাচের সূচনাতেই দলের বড় সংগ্রহ - ২ উইকেটে ৯৩ রান।
এরপর ভাইকিংসদের হয়ে রানের চাকা সচল রাখার দায়িত্ব নেন ইয়াসির আলী। একটি মাত্র বাউন্ডারি ও ৪টি ওভার বাউন্ডারিতে ৬৩ রান করেন এ পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান।
শেষদিকে জীবন মেন্ডিস ও জিয়াউর রহমানের দুটি ঝড়ো ইনিংস ৫ উইকেটে ১৮০ রানের সংগ্রহ এনে দেয় চিটাগাং ভাইকিংসকে।
জবাবে এক ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকীকে দর্শক বানিয়ে বিস্ফোরক এক ইনিংস খেলেন সিলেটের আরেক ওপেনার লংকান দিলশান মুনাভেরা।
ওপেনিং পার্টনারশিপের ৬৬ রানের মধ্যে ৬১ রানই মুনাভেরার। এরমধ্যে স্বদেশি তিলকারত্নে দিলশানের ছয় বলে ৬টি চার মেরেছেন তিনি। ৬৪ রানের ইনিংস খেলতে হাঁকিয়েছে ১৩টি চার ও একটি ছয়।
এরপর দ্রুত কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়ে সিলেটকে চাপে ফেলেন চিটাগাঙের বোলার শফিউল ইসলাম ও সাঈদ আজমল।
তবে ক্যাপ্টেন মুশফিকের ৫০ রানে ম্যাচ প্রায় জিতেই যাচ্ছিল সুপারস্টার্সরা। শেষ ওভারে দরকার ছিল ৯ রান। কিন্তু ৮ রানের বেশী তুলতে পারেননি মেনডিস ও মুশফিক। ১ রানের জন্য ম্যাচ হারতে হয় সিলেট সুপারস্টার্সদের