বিপিএলয়ের লাকি প্লেয়ার কুমিল্লার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তুজা। তিন আসরের তিনটি শিরোপাই জিতলেন তিনি।
বরিশাল বুলসকে হারিয়ে বিপিএলের তৃতীয় আসরের চ্যাম্পিয়ন হলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শেষ বলে জয় ছিনিয়ে নেয় কুমিল্লা।
বরিশালের ১৫৬ রানের জবাবে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৭ রান করে মাশরাফিবাহিনী। ইমরুল কায়েসের ফিফটির পর, অলক কাপালির ২৮ বলে ৩৯ রানে ফাইনাল ম্যাচ জিতে ভিক্টোরিয়ান্সরা। ম্যাচ সেরা হয়েছেন অলক কাপালী। আসর সেরা আশার জাইদি।
শিরোপা জিতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স পেয়েছে ২কোটি টাকার প্রাইজমানি। রানার্সআপ বরিশাল বুলস পেয়েছে ৭৫ লাখ টাকা।
শিরোপার লড়াইয়ে টস জিতে বরিশাল বুলসকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রন জানান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। শুরু থেকেই আক্রমনাত্বক মেজাজে খেলতে থাকেন বরিশালের দুই ওপেনার মেহেদি মারুফ ও সেকুগে প্রসন্ন।
১১ রান করে আশার জাইদির শিকার হয়ে মেহেদি মারুফ বিদায় নিলেও সাব্বির রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন প্রসন্ন।
তবে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে প্রশন্নকে বোল্ড করেন ড্যারেন স্টিভেন্স। কিছুক্ষণ পর সাব্বিরকে ফেরান মাশরাফি।
শাহরিয়ার নাফিস ও মাহমুদুল্লাহর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের পথে এগুতে থাকে বরিশাল। মাত্র ২ রানের জন্য ফিফটি মিস করেন মাহমুদুল্লাহ।
৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন শাহরিয়ার নাফিস। নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ১৫৬ রান করে বরিশাল বুলস। এ ম্যাচে কোনো উইকেট পাননি টুর্নামেন্টে ২১টি উইকেট শিকারি বোলার আবু হায়দার।
চ্যালেঞ্জিং স্কোর তাড়া করতে নেমে, শুরুতেই লিটন দাশের উইকেট হারায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
তবে আহমেদ শেহজাদকে সঙ্গে নিয়ে একের পর এক বরিশালের বোলারদের সীমানাছাড়া করতে থাকেন ইমরুল কায়েস।
বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগে দুজনেরই লাগাম টেনে ধরেন বরিশালের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ। ৩০ রান করে শেহজাদ আর ৫৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইমরুল।
টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পারফর্মার আশার জাইদিকেও ব্যক্তিগত ১৬ রানে রান আউট করেন মাহমুদুল্লাহ।
অলক কাপালি ও ড্যারেন স্টিভেন্সের ধীরগতির ব্যাটিংয়ে একসময় ম্যাচ কঠিন হয়ে পড়ে কুমিল্লার জন্য। তবে শেষদিকে অলক কাপালির ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভিক্টোরিয়ান্সরা। শেষ বলে ১৫৭ রানের টার্গেট স্পর্শ করে কুমিল্লা।