জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।
সোমবার মিরপুরে এশিয়া কাপের জন্য হোম অব ক্রিকেট অনুশীলনের সময় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের টাইগার দলপতি এ কথা জানান।
মাশরাফি বলেন, ‘কয়েকদিন আগে জাতিসংঘ থেকে এ বিষয়ে আমাকে একটি প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল এবং আমি তাতে সম্মতি জানিয়েছি।’
জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে আমার কাজের পরিধি হবে অনেক বড়। ইউনেসকো ও ইউনিসেফের মতো তাদের যেকোনো অঙ্গসংগঠনের হয়েই আমাকে কাজ করতে হতে পারে। আমি মনে করি, এটা শুধু আমার নয়, পুরো দেশের জন্যই একটা গর্বের ব্যাপার বলে জানান তিনি।
এর আগে ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রসের (আইসিআরসি) আয়োজিত শারীরিক প্রতিবন্ধীদের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের শুভেচ্ছাদূত হন তিনি।
এর মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছিল আলোচনা— তার খেলোয়াড়ি ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অনেক তথ্য নিয়ে যাচাই করা হয়েছে। দেশের সর্বসাধারণের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা সবকিছুতেই দশে দশ পেয়ে বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তিত্ব হিসেবে জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত হচ্ছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।
আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকায় আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়ার কথা রয়েছে।
মাশরাফি বলেন, ‘জাতিসংঘের ঢাকা অফিস থেকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমাকে জানানো হয়েছে, আমাকে তাদের শুভেচ্ছাদূত করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো কাগজপত্র এখনো পাইনি।’
এরইমধ্যে জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হয়েছেন আর্জেন্টিনায় যেমন লিওনেল মেসি, শ্রীলঙ্কার মুত্তিয়া মুরালিধরন।
বাংলাদেশ থেকে এর আগে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হয়েছিলেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ। তবে বাংলাদেশের কারও জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত হওয়াটা হবে এটাই প্রথম।