এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ী হতে পারলো না বাংলাদেশ। বুধবার রাতে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ভারতের কাছে ৪৫ রানে হেরেছে বাংলাদেশ।
টাইগারদের হয়ে ব্যাটিং উদ্বোধন করতে নামেন ৮ ম্যাচ খেলা সৌম্য সরকার ও ৩ ম্যাচ খেলা মোহাম্মদ মিথুন। তবে, শুরুটা ভালো করতে পারেনি স্বাগতিকরা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে আশিষ নেহরা বোল্ড করেন ১ রান করা মোহাম্মদ মিথুনকে। পরের ওভারে সৌম্যকে ফিরিয়ে দেন জাসপ্রিত বুমরাহ। উইকেটের পেছনে ধোনির গ্লাভসবন্দি হওয়ার আগে সৌম্য ১৪ বলে ১১ রান করেন।
তৃতীয় ব্যাটসম্যান হয়ে বিদায় নেন ইমরুল কায়েস। দলীয় ১৫ রানে দুই উইকেট হারানোর পর রানের চাকা ঘোরান সাব্বির ও ইমরুল। তারা দু’জন স্কোরবোর্ডে আরও ৩৫ রান যোগ করেন। তবে, ইনিংসের দশম ওভারে অশ্বিনের বলে যুবরাজ সিংয়ের হাতে ধরা পড়েন ২৪ বলে ১৪ রান করা ইমরুল।
এরপর উইকেটে থেকে টাইগারদের টেনে নিতে থাকেন সেট ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান এবং সাকিব আল হাসান। তবে, ১৩তম ওভারে উইকেটের মাঝে পিছলে পড়ে রান আউট হন সাকিব আল হাসান (৩)। বিদায়ের আগে ২৩ রানের জুটি গড়েন সাব্বিরের সঙ্গে।
১৫তম ওভারে পান্ডের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন সাব্বির। ৩২ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় তিনি ৪৪ রান করেন।
১৭তম ওভারে নেহারা জোড়া আঘাত হানেন। ফিরিয়ে দেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (৭) ও মাশরাফিকে। পরপর দুই বলে দুটি উইকেট তুলে নিলেও হ্যাটট্রিক বঞ্চিত হন নেহারা।
এর আগে ভারতের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। আর ব্যাটিংয়ে এসে শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা খায় ভারত। আল আমিন হোসেনে বলে সরাসরি বোল্ড করে প্যাভিলিয়নে ২ রান করে ফিরে যান শিখর ধাওয়ান। এরপর ১১ বলে ৮ রান করা কোহলিকে সাজঘরে পাঠান মাশরাফি।
ভারতের স্কোরটাকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন সুরেশ রায়না ও রোহিত শর্মা। তবে মাহমুদউল্লাহের বলে ১৩ রান করে বোল্ড হন রায়না।
এরপর যুবরাজকে নিয়ে ৫৫ রানের জুটি করেন রোহিত শর্মা। এ সময় হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রোহিত। এর আগে তাসকিনের বলে রোহিতের ক্যাচ ছেড়ে দেন সাকিব।
২০তম ওভারে আউট হবার আগে ৮৩ রান করেন রোহিত। ৫৫ বলে ৮৩ রান করেন রোহিত।
এবার প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হচ্ছে এশিয়া কাপ। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এ ভার্সনে এখনো ওয়ানডের মতো দাপুটে নয় টিম বাংলাদেশ।
ওয়ানডেতে ভারতকে পাঁচবার হারালেও, ২০ ওভারের ম্যাচে দুবারই মেন ইন ব্লুদের কাছে হেরেছে তারা।