এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে খেলা। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে টিম ইন্ডিয়ার কাছে হারলেও ফাইনালটাকে জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখতে চায় মাশরাফিবাহিনী।
ফাইনালে শক্তিমত্তার বিচারে ভারতকে এগিয়ে রাখলেও, নিজেদের সেরাটাই দিয়েই খেলতে চান বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।
দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। এর আগে ২০১২ সালে মাত্র ২ রানের জন্য শিরোপা ছুঁয়ে দেখতে পারেনি টাইগাররা। চার বছর পর আবারো মুশফিক, সাকিবদের সামনে সুযোগ এসেছে এশিয়ান ক্রিকেটের মঞ্চে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের।
ফাইনালে টাইগাররা প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছে ভারতকে। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে এই ভারতের কাছে ৪৫ রানে হেরেছিলো মাশরাফিবাহিনী। তাই এ ম্যাচে একটু বেশিই সতর্ক হয়ে খেলতে হবে বাংলার বাঘদের।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে ইনজুরিতে পড়েন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলায় তাঁর অভাবটা বুঝতে দেননি অন্য পেসাররা।
পাকিস্তানের ৭টির মধ্যে ৫টি উইকেটই তুলে নেয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছে টাইগার পেসাররা। ৪ ম্যাচে ১০ উইকেট শিকার করে এখনো পর্যন্ত টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার আল-আমিন হোসেন।
আর প্রথমবার সুযোগ পেয়েই ২ উইকেট তুলে নিয়েছেন স্পিনার আরাফাত সানি।
পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় স্কোর করতে না পারলেও ফর্মে আছেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট সাব্বির রহমান। মিডল অর্ডারে দলকে ভরসা দিচ্ছেন মাহমুদুল্লাহ। শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ উইনিং ব্যাটিং করেছেন এ অলরাউন্ডার।
বল হাতে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের জন্য ত্রাস সৃষ্টির পাশাপাশি ব্যাটিংয়েও নিজের ক্যারিশমা দেখাচ্ছেন ক্যাপ্টেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।
তবে চলতি এশিয়া কাপে এখনো স্বরূপে দেখা যায়নি টি-টোয়েন্টির ফেরিওয়ালা সাকিব আল হাসান ও মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিমকে। ফাইনালে এ দুইয়ের জ্বলে ওঠার প্রত্যাশায় বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা।