কোনো ক্লাব কিংবা সংগঠকের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়ে নয়—সত্যিকার অর্থে ফুটবলের উন্নয়নের জন্য “মন” ভালো রাখার পরামর্শ দিলেন দেশের ফুটবল সংগঠকরা।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের আয়োজিত সংগঠক, ক্লাব ও সাবেক ফুটবলারদের আয়োজনে “বাঁচাও ফুটবল” নামে সংবাদ সম্মেলনে তারা এ কথা বলেন।
সাবেক ফুটবলাররা অভিযোগ করেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির শীর্ষে পৌঁছে গেছে বর্তমান বাফুফে ও এর নেতৃত্ব। যার প্রভাব পড়েছে খেলোয়াড়দের মাঠের পারফর্মেন্সেও। সেখানে তুলে ধরা হয় দেশের ফুটবল অঙ্গনের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি।
অথচ একটা সময় ছিল যখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলো ফুটবল। তবে কালের বিবর্তনে এখন অনেক পিছিয়ে—দেশের ঘরোয়া ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগও প্রায় দর্শকশূন্য অবস্থায় খেলা হয়।
দুই মেয়াদে ৮ বছর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নীতি নির্ধারকের চেয়ারে বসেও ভবিষ্যত ফুটবলের জন্য কোনো পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেনি অভিযোগ করে—ফুটবল সংগঠকরা বলেন, ফিফা ও এএফসি থেকে পাওয়া বিপুল অর্থ উন্নয়নকাজে খরচ না করে তা বাফুফে'র কর্মকর্তারা নিজেদের পকেটে পুরেছেন।
সাফ ফুটবলসহ বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের হতাশাজনক ফলাফলের পেছনে বাফুফে'র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে দেশের সাবেক ফুটবলারদের দাবি, ফেডারেশনের ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাদের সরে দাঁড়ানো উচিত।