আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টেনে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫৬ রানে হারালো বাংলাদেশ। পাকিস্তানের দেয়া ২০২ রানের টার্গেটে ব্যাট করে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৪৬ রানে ২০ ওভারে ৬ উইকেট।
আর পাকিস্তানের সংগ্রহ ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০১ রান।
বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টায় কোলকাতার ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়াম ইডেন গার্ডেন্সে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান দলপতি শহীদ আফ্রিদি।
টাইগারদের হয়ে বোলিং শুরু করেন তাসকিন আহমেদ। তবে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামেন আহমেদ শেহজাদ ও শারজিল খান। তাসকিনের প্রথম ওভারে ৭ রান তুলে নিলেও পাকিস্তানের দুই ওপেনার আল আমিনের করা দ্বিতীয় ওভার থেকে তুলে নেন আরও ১৮ রান।
তৃতীয় ওভারে বোলিং আক্রমণে আসেন আরাফাত সানি। ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় ওভারেই আরাফাত সানি ফিরিয়ে দেন ১০ বলে ১৮ রান করা শারজিল খানকে। বোল্ড হয়ে ফেরেন পাকিস্তানের এই ওপেনার।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে বোলিং আক্রমণে এসে শারজিল খানকে সাজ ঘরে ফেরান আরাফাত সানি। দলীয় ২৬ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারানো পাকিস্তানের রানের চাকা ঘোরান মোহাম্মদ হাফিজ ও আহমেদ শেহজাদ। এই জুটি থেকে পাকিস্তান আরও ৯৫ রান যোগ করে।
তবে, ইনিংসের ১৪তম ওভারে সাব্বির রহমান ফিরিয়ে দেন অর্ধশতক হাঁকানো আহমেদ শেহজাদকে। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের হাতে ধরা পড়ার আগে ৩৯ বলে ৮টি চারের সাহায্যে ৫২ রান করেন শেহজাদ।
ইনিংসের ১৭তম ওভারে সানি ফেরান মোহাম্মদ হাফিজকে। বাউন্ডারি লাইনে অসাধারণ ক্যাচ লুফে নেন সৌম্য সরকার। ৪২ বলে ৭টি চার আর দুটি ছক্কায় ৬৪ রান করেন হাফিজ। হাফিজ পাকিস্তান দলপতি আফ্রিদিকে সঙ্গে নিয়ে মাত্র ১৭ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েন। এরপরই আউট হন তিনি।
১৮তম ওভারে তাসকিনের বলে বিদায় নেন উমর আকমল। সাকিবের তালুবন্দি হন আকমল।
আফ্রিদি ১৯ বলে চারটি চার আর চারটি ছক্কায় করেন ৪৯ রান। ইনিংসের শেষ ওভারে তাসকিনের বলে স্কয়ার লেগে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের হাতে ধরা পড়েন আফ্রিদি। শোয়েব মালিক ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।
এ ম্যাচে বাংলাদেশ দলে পেসার আবু হায়দার রনির জায়গায় দলে এসেছেন স্পিনার আরাফাত সানি।
বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানি। একটি উইকেট তুলে নেন সাব্বির।