দায়িত্বের ৮ বছরে বাফুফেতে কোন দুর্নীতি হয়নি—উল্লেখ করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন বলেন, দুর্নীতির প্রমাণ মিললে জেল খাটবেন তিনি। আর তা না হলে যারা তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলছেন তাদের ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাফুফে ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সমালোচনা ও অভিযোগের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, ৩০ এপ্রিলের নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে ও ফুটবলের অগ্রগতি থামাতে চক্রান্ত করছে একটি মহল। নিজ আগ্রহে দায়িত্ব নিয়ে তা ঠিক মতো পালন করতে না পেরে, ব্যর্থতার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বাফুফে সভাপতি আরো বলেন, নিজ আগ্রহে জেলা ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছিলেন মন্জুর কাদের কিন্তু নিয়মিত লিগ আয়োজন করতে পারেন নি তিনি। সে ব্যর্থতা এখন তিনি চাপিয়ে দিতে চাচ্ছেন বাফুফে সভাপতির ওপর।
গঠনার সূত্রপাত ১২ মার্চ। রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাঁচাও ফুটবল’ নামে বাংলাদেশের ফুটবল সংগঠক ও সাবেক ফুটবলারদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে, তুলে ধরা হয় দেশের ফুটবল অঙ্গনের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি। বলা হয় ৮ বছর দায়িত্বে থেকে বাফুফে সভাপতি দেশের ফুটবলের কোন উন্নতি করতে পারেন নি।
এরপর বুধবার বিসিবি সভাপতির কাছে হাজির হয়েছিলেন ‘বাঁচাও ফুটবল’ কমিটির সদস্যরা। ফুটবল অঙ্গনে নানা সমস্যার পাশাপাশি, ৩০ এপ্রিল নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বের দাবি তুলে ধরেন তারা।
২০১২ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হয়ে ‘ভিশন-২০২২’ নামে নতুন লক্ষ্যের কথা ঘোষণা দিয়েছিলেন বাফুফে সভাপতি। তিন বছর পরও যার কোন বাস্তবায়ন নেই। এ প্রসঙ্গে বাফুফে সভাপতি বললেন স্বপ্ন না থাকলে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
তৃতীয় ও শেষ বারের মতো তিনি বাফুফে সভাপতি পদে নির্বাচনের কথা জানিয়ে আবারো নির্বাচিত হলে নতুনভাবে কমিটি গঠন করে ফুটবলের উন্নয়নের জন্য এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন কাজী সালাহউদ্দিন।