জাতীয় ফুটবলের দলের কোচ হিসেবে লোডউইক ডি ক্রুইফকে আবারো নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্তকে হাস্যকর বলছেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলাররা।
ফুটবলের উন্নয়নের জন্য স্বল্প সময়ের পরিকল্পনা থেকে বাফুফে'কে বেরিয়ে আসার পরামর্শ তাদের। আর শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বহিস্কৃত জাতীয় দলের চার ফুটবলারকে, শাস্তির মেয়াদ পার হওয়ার আগে, জাতীয় দলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্তকে ভবিষ্যত ফুটবলের জন্য মোটেও ভালো নয় বলে অভিমত সাবেকদের।
শনিবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যের নিয়ে প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিংয়ে বসেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পাওয়া চার ফুটবলারকে ক্ষমা চাওয়ার শর্তে জাতীয় দলে ফিরিয়ে আনা পাশাপাশি ডাচ কোচ লোডউইক ডি ক্রুইফকে আবারো স্বল্প সময়ের জন্য জাতীয় দলের কোচ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় সভায়।
একবার বরখাস্ত করা আবার দায়িত্ব দেয়া পুরো প্রক্রিয়াটি দৃষ্টিকটু বলছেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলাররা। অতীতের অভিজ্ঞতা সত্বেও একই ভুল আবারো করছেন বাফুফে'র কর্তারা, এমন মন্তব্য তাদের।
২০১৩ সালে দুই বছরে চুক্তিতে লোডউইক ডি ক্রুইফকে দায়িত্ব দেয়ার পর ২০১৪ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বরখাস্ত করা হয় তাকে। পরের বছরই আবারো খন্ডকালীন সময়ের জন্য দায়িত্ব পান এই ডাচ কোচ। ৮ মাসের মাথায় আবারো বরখাস্ত করা হয় ক্রুইফকে। এবার তৃতীয় দফায় একমাসের জন্য দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে ক্রুইফকে।