স্পট কিকে মেসির মিসে কোপা আমেরিকার শর্তবার্ষিকীর শিরোপা হাতাছাড়া হলো আর্জেন্টিনার। ট্রাইবেকে ৪-২ গোলে জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এ শিরোপা ঘরে তুলল চিলি। আর ২৩ বছর ধরে অধরা রয়ে গেলো আর্জেন্টিনার কোপা আমেরিকার শিরোপা।
চিলির প্রথম কিক মিস। ট্রাইবেকে শেষের শুরুতেই এগিয়ে আর্জেন্টিনা। দলের প্রথম কিক নিতে আসেন লিওনেল মেসি। ডান দিকে নেয়া মেসির পেনাল্টি কিক বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভঙ্গের এখানেই শুরু।
এরপর আর ফিরে তাকায়নি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন চিলি। ব্র্যাভোর দুর্দান্ত সেভ আর চিলির ফুটবলারদের নিশানাভেদ করা শট। ৪-২ গোলে দ্বিতীয়বারের মতো কোপা আমেরিকা জিতল চিলি। জিতল ও টুর্নামেন্টের শততম বার্ষিকীর শিরোপা।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ৪-৩-৩ ফরম্যাশন নিয়ে মাঠে নামে দু'দলই। ফিনিশিংয়ের অভাবে সুযোগ কাজে লাগাতে পারছিলো না কেউই। এরই মধ্যে ১৭ ও ২৮ মিনিটে ফাউল করায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন চিলির মিডফিল্ডার মার্সেলো ডায়াজ। ৪৩ মিনিটে আর্জেন্টিনার মার্কো রোহোকেও লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়।
বিরতির পর ১০ জনের দল নিয়ে নামে দু'দল। এবার আক্রমণে ধার বাড়ায় চিলি। পাল্টা শক্তি দেখায় আর্জেন্টিনার ডিফেন্স। ভেস্তে যায় দ্য রেড ওয়ানদের আক্রমন। সবচেয়ে ভালো সুযোগটি আসে ৭৯ মিনিটে, আর্জেন্টিনার ডি-বক্স ফাকা পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারে নি দলটি। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক রোমেরো দৃঢ়তায় বেঁচে যায় আল বিসেলেস্তারা। ৮৪ মিনিটে সার্জিও আগুয়োরার জোরালো শট গোরপোস্টের ওপর দিয়ে চলে গেলে এবারও লিড নেয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয় মেসি বাহিনীর।
নির্ধারিত সময়ে গোল না হলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। তবে পাল্টা-পাল্টি আক্রমন করেও গোলবঞ্চিত হয় দু'দল। ফলে ২০১৫ সালের মতো এবারও টাইব্রেকে নির্ধারণ করা হয় ম্যাচের ফলাফল। যেখানে ভিডালে মিস সবাইকে হতবাক করেছে তেমনি লিওনেল মেসি'র গোল করতে না পারার আক্ষেপ শেষ পর্যন্ত পুড়াচ্ছে ১৯৯৩ সালে সবশেষ কোপার শিরোপা জেতা আর্জেন্টিনাকে।