রিও অলিম্পিক শুধু বাংলাদেশের জন্য সারাবিশ্বে একটি ঐতিহাসক দিন। আর ওইদিনেই বাংলাদেশের প্রমীলা তীরন্দাজ শ্যামলী রায় ব্রাজিলের রিও অলিম্পিকসের আর্চারি বিভাগের র্যা ঙ্কিংয়ে ১১ জনকে পেছনে ফেলে ৫৩তম অবস্থান নিশ্চিত করেছেন।
গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগেই শুক্রবার আর্চারিতে মেয়েদের ব্যক্তিগত র্যাঙ্কিং রাউন্ডের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হয় শ্যামলী রায়কে। সেখানে ৫৩ অবস্থানে থাকা মিস রায়ের স্কোর ৬০০।
এ পর্বের নাম র্যা ঙ্কিং রাউন্ড। এখানে র্যাং কিং-এ থাকা ৬৪ জনের মধ্য থেকে কোয়ালিফাই হবেন ৩২ জন। র্যাং কিং রাউন্ডে ৭০ মিটার দূর থেকে ৭২টি তির ছোঁড়েন প্রতিযোগীরা। প্রতিটি তিরে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ স্কোর ১০। র্যাং কিং রাউন্ডে কেউ বাদ যায় না। এই রাউন্ডে পরের রাউন্ডে কে কার সঙ্গে লড়বে তা ঠিক হয়।
সেরা বত্রিশ জনকে নিয়ে আবার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে টিকে থাকতে হবে ১৬ জনকে। সেই ১৬ জনকে নিয়ে শুরু হবে কোয়ার্টার ফাইনাল। আর্চারির র্যা ঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছেন দক্ষিণ কোরিয়ার চোই মি সান।
র্যাং কিং রাউন্ডে ৬৪ জনের মধ্যে ৫৩তম হওয়ায় পরের পর্বটা বেশ কঠিনই হবে শ্যামলীর জন্য। আগামী বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৩৯ মিনিটে দ্বাদশ স্থান পাওয়া মেক্সিকোর গাব্রিয়েলা বায়ার্দোর সঙ্গে তিনি লড়েবেন সেরা বত্রিশে ওঠার এলিমিনেশনস রাউন্ডে।
এবারই প্রথমবার অলিম্পিকে খেলতে গিয়েছেন শ্যামলী। ওয়াইল্ড কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত হন তিনি।
রিও অলিম্পিক বাংলাদেশের জন্য স্মরণীয় এক আসর। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ক্রীড়াবিদ গলফার সিদ্দিকুর রহমান যোগ্যতা অর্জন করে সরাসরি অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদের সংখ্যাও পূর্বের যে কোনো অলিম্পিক আসরকে ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্চ সাতজন অংশগ্রহণ করছেন এবার, আগের বার ছয়জন।