শুধু অংশ গ্রহণের তৃপ্তি নিয়েই শেষ হলো বাংলাদেশের আরো একটি অলিম্পিক মিশন। ১৯৮৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত নয়টি আসরে কোনো পদক জিততে পারেনি লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
তবে, এবার প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সরাসরি অলিম্পিকে অংশ নেয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন গলফার সিদ্দিকুর রহমান। তবে রিও অলিম্পিকের একটি স্বর্ণে জড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশর নাম। রিদমিক জিমন্যাস্টিক্সের ব্যক্তিগত অল-অ্যারাউন্ড ইভেন্টে সেই স্বর্ণটি জিতেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত রাশিয়ান জিমন্যাস্ট মার্গারিটা মামুন।
নবম বারের মতো অলিম্পিকে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। এর আগের ৮টি আসরের মতো এবারও রিও আলিম্পিক থেকেও খালি হাতেই ফিরছেন বাংলাদেশের অ্যাথলিটরা। এবারের আসরে কমপক্ষে একটি করে পদক জিতেছে ৮৭টি দেশ। প্রথমবারের মতো পদক পেয়েছে এমন দেশ, সেই তালিকাতেও নাম নেই বাংলাদেশের। এবার ৫টি ইভেন্টে বাংলাদেশের ৭ জন ক্রীড়াবিদ অংশ নিয়েছেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ওয়াইল্ড কার্ড ছাড়া সরাসরি অলিম্পিকে খেলার কৃতিত্ব দেখান দেশের সেরা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। ৬০ জনের মধ্যে ৫৮তম হয়ে অলিম্পিক শেষ করেন তিনি।
শুটিংয়ে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে ৬২১.২ পয়েন্ট নিয়ে ৫০ জনে ২৫তম হন আবদুল্লাহ হেল বাকি। নিজের সেরাটা করতে পারেননি তিনি।
পুরুষদের সাঁতারে মাহফিজুর রহমান সাগর ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইল হিটে ৮৫ জনে ৫৪তম হন। ২৩.৯২ সেকেন্ড সময় নেন তিনি। এটা ছিলো মাহফিজুরের ব্যক্তিগত সেরা টাইমিং।
নারীদের ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইলের হিটে ২৯.৯৯ সেকেন্ডে ৮৮ জনে ৬৯তম হন সোনিয়া আক্তার। ব্যক্তিগত সেরা টাইমিং তাঁরও।
রিও অলিম্পিকে শেষ মুহুর্তে ওয়াইল্ড কার্ড পেয়েছিলেন দুই স্প্রিন্টার মেজবাহ আহমেদ ও শিরিন আক্তার। ১০০ মিটার স্প্রিন্টের প্রাক-বাছাইয়ে ২৪ জনে ১৪ তম হন মেজবাহ। আর নারীদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের প্রাক-বাছাইয়ে ২৪ জনে ১৭ তম হন শিরিন আক্তার। নিজের সেরার চেয়ে এক সেকেন্ড বেশি সময় নেন তিনি।
আর্চারিতে ৬৪ থেকে ৩২ এ যাওয়ার লড়াইয়ে বিদায় নেন শ্যামলী রায়। নিজের সেরা পারফর্মেন্সকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন নি তিনিও।
তবে, লাল সবুজের প্রতিনিধিত্ব না করলেও রিদমিক জিমন্যাস্টিক্সের ব্যক্তিগত অল-অ্যারাউন্ড ইভেন্টে স্বর্ণ জিতে বাংলাদেশর নাম উজ্জ্বল করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত রাশিয়ান জিমন্যাস্ট মার্গারিটা মামুন।