ভূটানের বিপক্ষে এশিয়ান কাপের প্লে-অফ ম্যাচে হারের কারণে আগামী তিন বছরের জন্য ফিফা ও এফসি'র কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলার সুযোগ পাবে না বাংলাদেশ। যা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য খুবই লজ্জার বিষয়।
গণমাধ্যমের সামনে উচ্চাকাঙ্খি কথা না বলে, বাস্তবতার মাটিতে পা রেখে কথা বললে, দেশের ফুটবলের এ অবস্থা হতো না বলে মনে করছেন ফুটবল বোদ্ধারা। তাদের পরামর্শ ফুটবলের এই লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করা উচিত বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের।
ভূটানের বিপক্ষে কখনও হারে নি বাংলাদেশ, এমন রেকর্ড নিয়ে ২০১৯ এশিয়ান কাপের প্লে-অফের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে খেলতে নামে মামুনুল-এমিলিরা। তবে সবাইকে লজ্জায় ডুবিয়ে ৩-১ ব্যবধানের হার বাংলাদেশের।
এর ফলে আগামী তিন বছরের জন্য ফিফা ও এএফসি'র আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ থেকে ছিটকে পরলো বাংলাদেশ। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে, ফুটবলে এরচেয়ে বাজে অবস্থা আর কখনও হয়নি।
২০০৮ সাল থেকে বাফুফে'র সভাপতি'র দায়িত্বে রয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন। সবশেষ ৩০ এপ্রিল নির্বাচনেও তৃতীয় মেয়াদে ফেডারেশনের সভাপতি হয়েছেন। তিনি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে খেলার লক্ষ্যের কথা জানিয়ে ‘ভিশন-২০২২’ ঘোষণা করেন তিনি, যা ছিলো একেবারেই বাস্তবতার বিপরীত।
এছাড়াও জাতীয় দলের জন্য ঘনঘন কোচ পরিবর্তন করে বারবারই সমালোচিত হয়েছেন তিনি। কিন্তু এরপরও সাফল্যের মুখ দেখে নি বাংলাদেশ জাতীয় দল। ফুটবলের এই পরিনতির জন্য, বাফুফের সভাপতিকে দায়ি করে, দেশের সাবেক ফুটবলারদের পরামর্শ, দেশের ভবিষ্যতের জন্য তার সরে দাঁড়ানো উচিত এখনই।
এদিকে, দেশের ফুটবলের এ দৈন্য দশায়, বাফুফে ভবনের সামানে মানববন্ধন করেছেন ফুটবল ভক্তরা।