শুধু চীনই বাংলাদেশের বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, সামরিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সহায়তা করে না বাংলাদেশও সহায়তার হাত বাড়িয়ে চীনের পাশে দাঁড়িয়েছে। চীনের ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশের নাম।
অলিম্পিক পরাশক্তির দেশ চীনে ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করতে দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর ধরে কাজ করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
চীনা নারী ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্বে রয়েছেন মঞ্জুরুল ইসলাম। উইকেট বানিয়েছেন কিউরেটর জসীম।
বরাবরই অলিম্পিকের আসরে পদক তালিকার প্রথম দিকেই থাকে চীনের নাম আর তাই তো অলিম্পিকের ইভেন্টগুলোতে সাফল্য পেতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে না দেশটির সরকার।
সেই চীনে অলিম্পিকে নেই এমন খেলা ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করার কঠিনতম কাজটি দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর ধরে করে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
বলা চলে, চীনা ক্রিকেটের হাতেখড়ি আমিনুল ইসলামের হাত ধরেই। ক্রিকেটকে বিশ্বজনীন রুপ দিতে চীনে ক্রিকেট বিস্তারের সিদ্ধান্ত নেয় এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল।
আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ পাওয়ার মাত্র ৩ বছর পর ২০০৭ সালে ক্রিকেট উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে চীনে যান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
শুরুতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে বুলবুলকে কারণ চীন সরকার অলিম্পিকের খেলাগুলো নিয়ে যতটা আগ্রহী। ততটাই অনাগ্রহী ছিলো ক্রিকেট নিয়ে।
তবে থেমে যাননি আমিনুল ইসলাম— তার নিরলস প্রচেষ্টায় চীনের ক্রিকেট ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে কাঙ্খিত লক্ষ্যের দিকে।
২০০৯ সালে এসিসি ট্রফি চ্যালেঞ্জ টুর্নামেন্টে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় চীনের। এরপর ২০১০ এবং ২০১৪ সালের এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ইভেন্টেও অংশ নিয়েছে তারা।
এর মধ্যে ২০১০ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার কৃতিত্ব দেখিয়েছে দেশটি।
শুধু আমিনুল ইসলাম বুলবুলই নন, বর্তমানে চীনের নারী ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে কাজ করছেন বাংলাদেশের সাবেক পেসার মঞ্জুরুল ইসলাম।
আর চীনের মাটিতে ক্রীজ বানিয়েছেন কিউরেটর জসীম। তাই চীনের ক্রিকেটের যে কোনো সাফল্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকবে বাংলাদেশের নাম।