বিমান দুর্ঘটনায় ফুটবলার— সাংবাদিকসহ ৭১ জন নিহতের ঘটনায় ব্রাজিলসহ পুরো বিশ্বের ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া— চলছে ৩ দিনের জাতীয় শোক। ছোট একটি শহর থেকে ল্যাটিন আমেরিকার দ্বিতীয় সেরা টুর্নামেন্টের ফাইনালে গিয়ে রুপকথার গল্প তৈরি করেছিল শ্যাপেকোয়েন্স।
সেই ক্লাবের ফুটবলারদের এমন পরিনতিতে ওই শহরসহ সারাবিশ্ব শোকে বিহ্বল। নিহতদের স্মরনে ট্রফি উৎসর্গ করতে দক্ষিন আমেরিকান ফুটবল ফেডারেশনকে অনুরোধ করেছে সুদামেরিকার ফাইনালিস্ট অ্যাতলেটিকো ন্যাশিওনাল।
ভক্তদের ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখিয়ে বিমানে চড়েছিলেন শ্যাপেকোয়েন্সের ফুটবলাররা। ইতিহাস হলো, তবে সেটা ভীষণ বেদনাদায়ক। স্বপ্নের অপমৃত্যু হলো ভাগ্যের ভয়াবহতম নিষ্ঠুরতায়।
একের পর এক সংগ্রামের সিড়ি ভেঙে ২০১৪ সালে ব্রাজিলের প্রথম বিভাগে ক্লাবকে তুলে দেন ফুটবলাররা। সুদামেরিকা অভিষেকেই কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে হৈ চৈ ফেলে দিয়েছিল ল্যাটিন ফুটবলের রাজত্বে।
আর এবারের সুদামেরিকার ফাইনালে পৌছাতে তারা হারিয়েছে ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা থেকে টুর্নামেন্টে অংশ নেয়া জায়ান্ট ক্লাবগুলোকে।
সেই ফুটবলারদের এম নিষ্ঠুর পরিণতিতে শোকবিহ্বল ব্রাজিল। দেশটির ফুটবল অঙ্গন সাত দিনের শোকপালন করছে। আর তিনদিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। সবধরনের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত করা হয়েছে।
বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের মতো ক্লাবগুলো, ট্রেনিং সেশনে শ্যাপেকোয়েন্স ট্র্যাজেডির নিহতদের স্মরনে পালন করেছে নিরবতা।
কিংবদন্তি পেলে, ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফ্যান্তিনোসহ সকলেই ফুটবলের জন্য এই দিনকে দেখছেন ট্র্যাজেডি হিসেবে।
টুর্নামেন্টের ট্রফি নিহতদের স্মরনে উৎসর্গ করতে দক্ষিন আমেরিকান ফুটবল ফেডারেশনকে অনুরোধ করেছে, সুদামেরিকার অন্য ফাইনালিস্ট অ্যাতলেটিকো ন্যাশিওনাল।
ব্রাজিলের সেরা ক্লাব গুলো নিজেদের ফুটবলারদের শ্যাপেকোয়েন্সে ধারে খেলতে পাঠাতে চান। যেন শোক কাটিয়ে অচিরেই মাঠে ফিরতে পারে দলটি।