নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে তাদের বিপক্ষে জয় পাওয়াটা কঠিন বাংলাদেশের জন্য। সে দেশে খেলার অভিজ্ঞতাতেও পিছিয়ে বাংলাদেশ।
এ সফরটা বাংলাদেশ দলের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন টাইগার দলনেতা মাশরাফি বলেন, ঘরের মাঠে নিজেদের শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পর এবার দেশের বাইরে বিরুদ্ধ কন্ডিশনে ভালো খেলার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত টাইগাররা।
২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর এই প্রথম দেশের বাইরে কোনো সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর মাঝে টানা পাঁচটি ওয়ানডে সিরিজ জয় আর ক্রিকেট কুলীন ইংল্যান্ডকে টেস্ট ম্যাচে ৩ দিনেই হারিয়ে দেয়ার আত্মবিশ্বাস, অভিজ্ঞতার ঝুলি সমৃদ্ধ করেছে বাংলাদেশের।
তবে সফর যখন নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তখন কিছুটা শঙ্কা জাগতেই পারে। বাংলাদেশ শেষবার নিউজিল্যান্ড সফর করেছিল ২০১০ সালে। তিন ওয়ানডে আর ১টি টেস্টের সবগুলোতেই হার মানতে হয়েছিল সেবার।
ওই সফরে থাকা বাংলাদেশ দলের মাত্র ৭ জন ক্রিকেটার আছেন এবারের সফরের ২২ জনের স্কোয়াডে। বাকিদের কাছে কন্ডিশন সম্পূর্ণ নতুন। তবে মাশরাফি আস্থা রাখছেন নতুনদের ওপর।
নিউজিল্যান্ড সফরের আগে অস্ট্রেলিয়ায় এই কন্ডিশনিং ক্যাম্প, ওই মহাদেশের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে দলকে, জানিয়েছেন মাশরাফি।
শেষ সময়ে গিয়ে নিউজিল্যান্ডের ২২ জনের স্কোয়াডে থাকা পেসার মোহাম্মদ শহিদ আর শফিউল ইনজুরির কারণে বাদ পড়েছেন স্কোয়াড থেকে। আর প্রায় দেড় বছর ধরে রান পাচ্ছেন না সৌম্য। আফসোস থাকলেও এসব নিয়ে বিচলিত নন মাশরাফি।
দুই বছর আগে বাংলাদেশ টার্গেট নিয়েছিল দেশের মাটিতে কমপক্ষে ৮০ ভাগ ম্যাচ জেতার। সে লক্ষ্য পূরণের পর এবার টাইগারদের মিশন বিদেশের মাটিতেও বাঘের হুঙ্কার দেওয়ার।
এ সফরে ৩টি ওয়ানডে, তিন টি-টোয়েন্টি আর ২টি টেস্ট খেলবে টাইগাররা।