পেশাগত শাটলাররা সারাবছর খেললেও বাংলাদেশে ব্যাডমিন্টন যেন শীতকালীন খেলা। বছরজুড়েই চলে বৃষ্টি— ফলে বছরের বেশিরভাগ সময়ই বাড়ির কোনো এক কোণায় পড়ে থাকে র্যা কেট। কিন্তু শীত আসলে ধুম পড়ে যায় ব্যাডমিন্টন খেলার। র্যা কেটের সূতা মেরামতও হয়ে পড়ে আবশ্যক।
কখনো বা পুরনোটা বাদ দিয়ে নতুন র্যা কেট কিনতে হয়। ব্যাডমিন্টনের র্যা কেট মেরামত করতে কত খরচ পড়বে নতুন কর্ক-র্যা কটের দামই বা কত?
মোহাম্মদ দুলাল মিয়ার ক্যামেরায় জানাচ্ছেন নাদিয়া আফরোজ।
ব্যাডমিন্টনের দোকানগুলো এখন বেচা-কেনায় ব্যস্ত সময় পার করছে। শীত আসলেই এ খেলার প্রতি ক্রীড়াপ্রেমীদের আগ্রহ বেড়ে যায়। এবার শীত এখনো সেভাবে পড়েনি। তবে র্যা কেট বাঁধাইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ক্রীড়া সামগ্রী বেচাকেনার দোকানগুলো।
কেউ নিজের জন্য কেউ বা এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সন্তানের র্যা কেট বাঁধাই করাতে। পিছিয়ে নেই ক্ষুদে শাটলাররাও।
যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করতে থাকা প্রবাসী দম্পতি এসেছেন নতুন র্যা কেট কিনতে। অবসরে র্যা কেট হাতে একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সময় কাটে তাদের। কথা হয় এমন এক ব্যাডমিন্টনপ্রেমীর সঙ্গে। তার সেই এই কথা শীত আসলেই মনে এ খেলাটার কথা।
নতুন র্যা কেটের দাম এক হাজার থেকে ১৫ হাজার পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রফেশনাল শাটলারদের র্যা কেটের দাম ২৫ হাজার টানা থেকে শুরু হয়। প্রতিটি র্যা কেটে নতুন সুতা বাঁধাই করতে মূল্যভেদে তিনশ থেকে পনেরোশো টাকা লাগে। বাঁধাইয়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ১৫ থেকে ২০ মিনিট। আর ৫০০ থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত হয় থাকে এক ডজন কর্কের মূল্য।
এবার শীতের তীব্রতা নেই বললেই চলে। ফলে ব্যাডমিন্টনের র্যা কেট মেরামত আর বেচাকেনা কম হচ্ছে বলে দাবি বিক্রেতাদের।