ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির পর টেস্টেও হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ— ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের একদিন বাকী থাকতেই নিউজিল্যান্ডের কাছে ৯ উইকেটে হেরেছে তামিম বাহিনী। প্রথম ইনিংসে কিউইদের চেয়ে ৬৫ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাকলাপসে টাইগারদের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় ১৭৩ রানে।
সিনিয়রদের উইকেট বিলিয়ে দেয়ার বিপরীত চিত্র ছিল টেল এন্ডারদের মারমুখো লড়াইয়ে। তবুও হারতে হয়েছে বড় ব্যবধানে। ৯ উইকেট হাতে রেখে ১০৯ রানের সহজ টার্গেট পেরিয়ে যায় উইলিয়ামসনস বাহিনী।
বৃস্টির কারণে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা পরিত্যক্ত হওয়ায়, চতুর্থদিনে ৭ উইকেটে ২৬০ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। দিনের শুরু থেকেই দ্রুত রান তোলায় ব্যস্ত থাকে দুই ব্যাটসম্যান টিম সাউদি ও হেনরি নিকোলস। যদিও স্কোর বোর্ডে মাত্র ১৬ রান যোগ করে আউট হোন সাউদি।
তবে একপ্রান্তে টিকে থেকে ক্যারিয়ার সেরা ৯৮ রানের ইনিংস খেলেন নিকোলস। দলীয় ২৮৬ রানে ডাউন দ্য উইকেটে মারতে গিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হন তিনি। আর ২৬ রান করা ওয়াগনার রান আউট হলে, ৩৫৪ রানে থামে কিউইদের ইনিংস। স্বাগতিকরা লিড পায় ৬৫ রানের।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী স্টাইলে ব্যাট চালান দুই ওপেনার তামিম-সৌম্য। যার ফলাফলও দ্রুত পান তামিম ইকবাল। দলীয় ১৭ রানে সাউদির বলে প্রলুব্ধ হয়ে পুল করতে গিয়ে নিজের উইকেট গিফট করেন ব্যক্তিগত ৮ রান করে।
তবে দ্বিতীয় উইকেটে সৌম্য-মাহমুদুল্লাহ'র ৪১ রানে জুটি ইনিংস গড়ার ইঙ্গিত দিলেও, ২৬ রান করে সৌম্য বিদায় নিলে আবারো হতাশায় পুড়তে হয় টাইগার সমর্থকদের।
এরপরের গল্পটা বাংলাকলাপসের। সাকিব-মাহমুদুল্লাহ-সাব্বির-সোহানদের একে একে উইকেট বিসর্জনে বড় ইনিংস গড়া থেকে পুরোপুরি ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে ম্যাচে কিছুটা রঙ ছড়ান কামরুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ জুটি। নবম উইকেটে তাদের ৫১ রান, দেড়োশো রানের কোটা পাড় করে। ১৭৩ রানে থামে সফরকারীরা।
১০৯ রানের মামুলি টার্গেট কোন পাত্তাই দিলো না কিউইরা। ব্যক্তিগত ৩৩ রান করে রাভাল ফিরলেও, ল্যাথামের ৪১ ও গ্রান্ডহোমের অপরাজিত ৩৩ রানে ৯ উইকেটে সহজ জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড।