সাদা পোশাকে নিজেদের শততম ম্যাচের প্রথমদিনটা নিজেদের করে রাখলো বাংলাদেশ দল। কলম্বোর পি সারা ওভালের ব্যাটিং উইকেটে, মুস্তাফিজ-মিরাজদের বোলিংয়ে ধস নামে লঙ্কান টপ অর্ডারে। চান্দিমালের অপরাজিত ৮৬ রানে ভর করে লঙ্কানদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৩৮ রান।
মুস্তাফিজ ও মিরাজ নেন দু'টি করে উইকেট। আলো স্বল্পতার কারণে ৪১ বল আগেই শেষ হয় প্রথম দিনের খেলা।
২০০০ সালের ১০ নভেম্বর সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট খেলুড়ে দল হিসেবে যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলতে নামে শততম টেস্ট। তাই টেস্ট ম্যাচ উদযাপনে ছিলো ভিন্ন আমেজ। খেলা শুরুর আগে পি সারা ওভাল কলম্বো স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের দুই সভাপতি। দু'দলের খেলোয়াড়দের স্মারক হিসেবে দেয়া হয় মেডেল, বেলুন ওড়ানোর পাশাপাশি হয় ফটোসেশন।
প্রথম টেস্টে টস জিতলেও, শততম টেস্টে টস ভাগ্যটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিলো সফরকারী বোলারদের। দলীয় ১৩ রানের করুণারত্নকে ফিরিয়ে, টাইগারদের প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। কিছুক্ষণ পরেই মেন্ডিসকে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ।
উপুল থারাঙ্গাকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান মিরাজ। আর লাঞ্চের আগে শেষ ওভারে শুভাশীষের বলে গুণারত্ন আউট হলে, প্রথম শেসনটা নিজেদের করে ফেলে বাংলাদেশ। ৪ উইকেটে ৭০ রান নিয়ে মধ্যাহ্ণ বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।
একপ্রান্ত আগলে রেখে পঞ্চম উইকেটে ডি সিলভাকে নিয়ে ৬৬ রানের পার্টনারশিপ করেন চান্দিমাল। ব্যক্তিগত ৩৪ রানে সিলভাকে ফেরান তাইজুল। দলীয় ১৮০ রানে সাকিবের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নের ফেরেন ডিকভেলা। আর পেরেরাকে ফিরিয়ে, ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন মুস্তাফিজ।
তবে গলায় কাঁটার মতো বিধে থাকা চান্দিমাল উইকেটে টিকে থাকেন অপরাজিত ৮৬ রান করে। তার সঙ্গী রঙ্গণা হেরাথ রয়েছেন ১৮ রান নিয়ে। আলো স্বল্পতার কারণে, নির্ধারিত ওভারের আগে শেষ হয় প্রথমদিনের খেলা। তাই টেস্টের দ্বিতীয় দিন, বৃহস্পতিবার ১৫ মিনিটে আগে শুরু হবে খেলা।