বাংলাদেশের ফুটবলের নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ইংলিশ বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্ড্রু ওর্ড।
একবছরের জন্য জাতীয় দলের পাশাপাশি বয়সভিত্তিক দল নিয়ে কাজ করবেন তিনি।
এখান থেকেই জাতীয় দলের জন্য সম্ভাবনাময় ফুটবলার তৈরি করার কথা জানান ওর্ড।
যাতে আগামী বছরের মে মাসে ১২তম সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারে বাংলাদেশ দল।
বেলজিয়াম কোচ টম সেইন্টফিটের অধ্যায়ে পর সাত মাসের বিরতি দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ৩১তম কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় ইংলিশ বংশদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান কোচ অ্যান্ড্রু ওর্ডকে।
আগামী একবছর জাতীয় দলের পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে কাজ করবেন তিনি। কোচিং ক্যারিয়ারে কোন জাতীয় দলের কোচের দায়িত্বে ছিলেন না তিনি। ২০১০ সাল থেকে ক্লাব ফুটবলের কোচ ছিলেন। আর খেলোয়াড়ি জীবনে সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে দু'টি সেমি প্রফেশনাল ক্লাবে খেলেছেন ওর্ড।
দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ওর্ডের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্ব। তাই সাভার বিকেএসপিতে ৩৩ জন ফুটবলার নিয়ে একমাসের আবাসিক ক্যাম্প করছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ান এই কোচের লক্ষ্য সাফ ফুটবলে বাংলাদেশের ভালো ফলাফলের দিকে। সেইসঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী একবছর সময়ে ভালোমানের ফুটবলার তৈরির দিকে নজর তার।
ঘনঘন কোচ পরিবর্তন দেশের ফুটবলের নতুন কিছু নয়। ওর্ডে'র আগে মাত্র চার মাসের মেয়াদে ছিলেন বেলজিয়ামের টম সেইন্টফিট। তার অধীনেই ভূটানের কাছে হেরে তিন বছরের নির্বাসনে যেতে হয় বাংলাদেশের ফুটবলকে। ৩ কিস্তিতে প্রায় আড়াই বছর হেড কোচ ছিলেন ডাচ কোচ লোডউইক ডি ক্রুইফ। তার আগে মাত্র তিন মাস মেয়াদে ছিলেন গঞ্জালো সানচেজ মরিনহো। ঘটা করে দায়িত্ব দেয়া ইতালিয়ান কোচ ফ্যাবিও লোপেজকেও বেশিদিন ধরে রাখতে পারে নি বাফুফে।
ন্যাশনাল টিম ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান বলছেন, কাঙ্খিত ফলাফল না পাওয়ায় বারবার কোচ পরিবর্তন করেছেন তারা।
দেরিতে হলেও জাতীয় দলের জন্য খুব শিগগিরই জিমসহ অন্যান্য সুবিধার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।