ক্যাচ মিসে টাইগারদের মুঠো থেকে মিরপুর টেস্ট ফসকে যাওয়ার পথে। জীবন পেয়ে অস্ট্রেলিয়ার সাম্ভাব্য জয়ের মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভেন স্মিথ। এ জুটির হার না মানা ৮১ রানের সুবাদে তৃতীয় দিন শেষে অজিদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০৯ রান। ঘুরে দাঁড়াতে কাল দিনের প্রথম সেশনেই সাকিব-মিরাজদের জ্বলে উঠতে হবে। ম্যাচ জিততে শেষ দুই দিনে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ১৫৬ রান।
আর বাংলাদেশের দরকার ৮ উইকেট। এর আগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২২১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ব্যাক টু ব্যাক ইনিংসে ফিফটি করেছেন তামিম ইকবাল।
ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস। ক্যানো এই কথাটি বলা হয়ে থাকে তা হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দিচ্ছেন দুই অভিজ্ঞ অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ ও সহ অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। ব্যক্তিগত ১৪ রানে ডেভিড ওয়ার্নারের আর ৩ রানে স্টিভেন স্মিথের ক্যাচ ছাড়েন সৌম্য সরকার ও ইমরুল কায়েস।
দলীয় ২৮ রানের মধ্যেই ম্যাট রেনশ ও উসমান খাজাকে বিদায় করে দিলেও, এই দুই ক্যাচ মিসের মহড়ায় মিরপুর টেস্টে এখন অনেকটাই সুবিধাজনক অবস্থানে সফরকারীরা।
ডেভিড ওয়ার্নারের ৭৫ ও স্টিভেন স্মিথের অপরাজিত ২৫ রানে ভর করে ২ উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে অজিরা। শেষ দুই দিনে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন আরো ১৫৬ রান। আর জিততে হলে বাংলাদেশের দরকার ৮ উইকেট।
এর আগে ১ উইকেটে ৪৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে বাংলাদেশ। শুরুতেই নাথান লায়নের শিকার হন নাইটওয়াচম্যান তাইজুল। সুবিধা করতে পারেননি ইমরুল কায়েসও। মাত্র ২ রান করেই সাজঘরের পথ ধরেন তিনি।
ক্যারিয়ারের পঞ্চাশতম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসেও ফিফটি তুলে নেন তামিম ইকবাল। চতুর্থ উইকেটে তামিমের সঙ্গে ৬৮ রানের জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম।
তবে, ৭৮ রানে তামিম ফিরে যাওয়ার পর দ্রুত আউট হন সাকিবও। সাব্বিরকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন মুশফিক। ব্যক্তিগত ৪১ রানে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউটের শিকার হন টাইগার ক্যাপ্টেন।
এরপর সাব্বিরের ২২ ও মিরাজের ২৬ ছাড়া আর তেমন রান করতে পারেননি অন্য কোনো ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত ২২১ রানে থামে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। ২৬৫ রানের টার্গেট পায় অস্ট্রেলিয়া।