বাংলাদেশের ফিল্ডারদের বার বার ক্যাচ ফেলার সুযোগে চট্টগ্রাম টেস্টে ৭২ রানের লিড নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের ৩০৫ রানের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩৭৭ রান। ক্যারিয়ারের ২০তম সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন অজি সহঅধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ ও মেহেদী মিরাজ।
বৃষ্টিতে পন্ড হয় চটগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনের খেলা। লাঞ্চের পর দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান হ্যান্ডসকম্ব ও ওয়ার্নার সাবলীল ছন্দেই তৃতীয় দিনের ব্যাটিং সূচনা করেন। আগের দিনের ২২৫ রানের সঙ্গে আরো ২৫ রান যোগ করার পর সাজঘরে ফিরেন হ্যান্ডসকম্ব। ওয়ার্নার হ্যান্ডসকম্বের ১৫২ রানের জুটিটি বোলাররা ভাঙ্গতে পারেননি। সাকিবের ডাইরেক্ট থ্রোতে নিজের ৮২ ও দলীয় ২৫০ রানে রান আউট হন হ্যান্ডসকম্ব।
হ্যান্ডকম্বের বিদায়ের পরপরই নিজের ক্যারিয়ারের ২০তম সেঞ্চুরি হাঁকান অজি সহ-দলপতি ওয়ার্নার। ৫৩ ও ৭২ রানে দুই দুইবার জীবন পাওয়া ওয়ার্নার আরেকবার জীবন পেতে যাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজের বাউন্সার থেকে উঠা ক্যাচ ইমরুল তিন তিনবারের চেষ্টায় মুঠোয় নেন । ১২৩ রানে শেষ হয় ওয়ার্নারের ইনিংস। ঢাকার পর চট্টগ্রামে সেঞ্চুরি করে ব্যাক টু ব্যাক টেস্টে শতক হাকালেন ওয়ার্নার।
নিজের বলে কার্টলাটেকে জীবন দিয়ে ছিলেন মিরাজ। সেই মিরাজই শেষ পর্যন্ত চা বিরতির ঠিক আগের বলে ফিরান কার্টওয়ালকে। ১৮ রান করে কার্টরাটে ফিরার সময় দলের রান ছিল ৫ উইকেটে ৩২১ রান।
চা বিরতির পর মুস্তাফিজ ফিরিয়ে দেন উইকেট রক্ষক ম্যাথু ওয়েডকে। এরপর ফিরেন ম্যাক্সওয়েল। ১০ রানে ম্যাক্সকে জীবন দিয়েছিলেন মিরাজ। ৩৮ রানে মিরাজই সাজঘরে পাঠান ম্যাক্সওয়েলকে।
এরপর উইকেটে এসে থিতু হওয়ার আগেই মিরাজের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন প্যাট কামিন্স।
অজি ইনিংসের লেজের দিকে প্রতিরোধ দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা চালান স্পিনার আ্যাগার। তিনিও একবার জীবন পেয়েছেন। ব্যক্তিগত ১৮ ও দলীয় ৩৭৩ রানের মাথায় সাকিবের বলে স্লিপে তার ক্যাচ ফেলে দেন সৌম্য। ৩ রান পরে সাকিবই তাকে বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান।
মুস্তাফিজ ও মিরাজ ৩টি করে এবং তাইজুল ও সাকিব ১টি করে উইকেট নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ৩৭৭ রান তুলে ৭২ রানে এগিয়ে থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে আস্ট্রেলিয়া।