উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের প্রত্যাবর্তনকে রাঙাল চেলসি। মঙ্গলবার রাতে ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে কারাবাগকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিল আন্তনিও কোন্তের দল। গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি চেলসি। তবে নতুন মৌসুমে নিজেদের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে জানান দিয়ে রাখল দ্য ব্লুজরা।
আজারবাইজানের ক্লাব প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নেয়ায় চেলসির বিপক্ষে লড়াই করার স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নেমেছিল। তবে অভিষিক্ত ক্লাবটির বিপক্ষে দলের বেশ কয়েকজন তারকা খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দিয়েও বড় জয় তুলে নেয় চেলসি।
ঘরের মাঠে চেলসির হয়ে একটি করে গোল করেন পেদ্রো, ডেভিড জাপাকোস্তা, তিয়েমো বাকায়োকো, সিজার অ্যাপিলিকুয়েতা ও মিকি বাৎশুয়াই। অপর গোলটি আত্মঘাতী।
স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে খেলার পঞ্চম মিনিটে উইলিয়ানের পাস থেকে গোল করে চেলসিকে এগিয়ে নেন পেদ্রো। ৩০তম মিনিটে জাপাকোস্তার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। প্রায় ৫০ গজ দূর থেকে বল নিয়ে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের ঢুকে কারাবাগের গোলরক্ষক ইবরাহিম সেহিককে পরাস্ত করেন এই ইতালিয়ান রাইটব্যাক।
বিরতির পর খেলার ৫৫তম মিনিটে সেস ফ্যাব্রেগাসের ক্রসে দারুণ হেডে ব্যবধান ৩-০ করে ফেলেন অ্যাপিলিকুয়েটা। ৭১তম মিনিটে উইলিয়ানের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে গোলমুখের কাছ থেকে বল জালে পাঠান বাকায়োকো।
পাঁচ মিনিট পর বাৎশুয়াইয়ের গোলে ব্যবধান ৫-০ করে ফেলে চেলসি। ৮২তম মিনিটে জাপাকোস্তার ক্রস থেকে বাৎশুয়াইয়ের নেয়া শট কারাবাগ তারকা মাসকিস মেদভেদেভের গায়ে লেগে জালে আশ্রয় নিলে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চেলসি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটাই চেলসির সবচেয়ে বড় (যৌথ) জয়। এর আগে ২০১৪ সালের অক্টোবরে মারিবরের বিপক্ষেও একই ব্যবধানে জয় পেয়েছে দ্য ব্লুজরা।
ফেবারিটদের বড় জয়ের দিন ‘সি’ গ্রুপের অপর ম্যাচে হোঁচট খেয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। অলিম্পিক স্টেডিয়ামে স্প্যানিশ জায়ান্টদের গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দিয়েছে স্বাগতিক রোমা।