সমালোচনা ঘিরে ধরে আছে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। পাঁচ ব্যালন ডি অরের মালিকের নামের পাশে লা লিগায় মাত্র চার গোল সমালোচনা হওয়াটাই স্বাভাবিক।
রোববার ঘরের মাঠে দেপোর্তিভো লা করুনাকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করা রোনালদোর ব্যক্তিগত জোড়া গোল সমালোচনাটা কিছুটা কমতে পারে। খেলার বাকি থাকতেই রক্তাক্ত হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
সবশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে সেভিয়াকে বিধ্বস্ত করে লা লিগায় জয়ের স্বাদ পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এরপর টানা তিন ম্যাচের কোনোটিতে জয়ের দেখা পায়নি জিনেদিন জিদানের ছাত্ররা। অবশেষে রোববার পয়েন্ট টেবিলের ১৮ নম্বর দল দেপোর্তিভো লা করুনাকে ৭-১ গোলে হারিয়ে জয়ে ফিরল লস ব্লাঙ্কোসরা। এই জয়ে ১৯ ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে উঠে এলো রিয়াল।
ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যেত রিয়াল। যদি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট না হতো। ২৩তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে দেপোর্তিভোকে এগিয়ে দেন আদ্রিয়ান লোপেজ।
এক গোলের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে পড়েন স্বাগতিকরা। নিয়মিত বিরতিতে আক্রমণ চালিয়ে ম্যাচের ৩২তম মিনিটে গোল আদায় করে নেয় রিয়াল। মার্সেলোর অ্যাসিস্টে দলকে সমতায় ফেরান নাচো। মিনিট দশেক পর গ্যারেথ বেলের বাঁ-পায়ের টোকা খুঁজে নেয় দেপোর্তিভোর জাল। বিরতির পর ৫৮তম মিনিটে রিয়ালের স্কোরলাইন ৩-১ করেন বেল। ৬৮তম মিনিটে মডরিচের দারুণ শটে গোলের হালি পূর্ণ করে রিয়াল। ৭৮ ও ৮৪ মিনিটে জোড়া গোল করেন রোনালদো। ৮৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোরলাইন ৭-১ করেন নাচো।
একটি গোলের জন্য কতটা হাপিত্যেশ করতে হয়, তা দেখা গিয়েছে ২০১৪-১৫ ও ২০১৩-১৪ মৌসুমে যথাক্রমে ৬১ ও ৫১ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার মালিকের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত জোড়া গোলে থেমেছেন মাদ্রিদ তারকা। হয়তো ভুলে যাওয়া গোলের রাস্তাটাও ফিরে পেলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।