ফাইনালের বাধা টপকাতে পারলো না বাংলাদেশ— ২০১২ সালের এশিয়া কাপ ও ২০০৯ সালের ত্রিদেশীয় সিরিজের মতো এবারও ফাইনালে হারলো টাইগাররা। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে, শ্রীলঙ্কার কাছে ৭৯ রানে হেরে রকেট ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ শেষ করলো বাংলাদেশ।
প্রথমে রুবেল, মুস্তাফিজরা লঙ্কানদের বেঁধে ফেলেন ২২১ রানে। তবে জবাব দিতে নেমে, ৪১ ওভার ১ বলে ৯ উইকেটে ১৪২ রান করে বাংলাদেশ।
তিনটি পরিবর্তন নিয়ে ফাইনালে খেলতে নামে বাংলাদেশ। এনামুল, নাসির ও আবুল হাসানকে বাদ দিয়ে সুযোগ দেয়া হয় মিঠুন, মিরাজ ও সাইফউদ্দীনকে। টস জিতে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা। সিরিজে প্রথমবারের মতো সুযোগ মিরাজ ব্রেকথ্রু এনে দেন বাংলাদেশকে।
উপুল থারাঙ্গাকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন কুশাল মেন্ডিস।
তবে মেন্ডিসকে নামের পাশে রানের অংক খুব বেশি বড় করার সুযোগ দেননি মাশরাফি বিন মর্তুজা। ব্যক্তিগত ২৮ রানে মেন্ডিসকে সাজঘরের পথ দেখান টাইগার ক্যাপ্টেন।
নিরোশান ডিকওয়েলাকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন থারাঙ্গা। ডিকওয়েলা ৪২ ও থারাঙ্গা করেন ৫৬ রান।
কাটার ও স্কিডিং বলে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের সুবিধা করতে দেননি বাংলাদেশের দুই পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন। থিসারা পেরেরা ও গুনারত্নেকে বিদায় করেন রুবেল। একপ্রান্ত আগলে ৪৫ রান করা চান্দিমালকেও বিদায় করেন এই ডানহাতি পেসার।
এর মধ্যে ৪২তম ওভারে আঙ্গুলে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন সাকিব আল হাসান। শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২২১ রানে লঙ্কানদের বেধে ফেলে বাংলাদেশ।
২২২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে, শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ২২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা। ইনজুরির কারণে নামতে পারেননি সাকিব।
মাঝে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদুল্লাহ। পুরো সিরিজে জ্বলে উঠতে না পারলেও ফাইনালে নিজেকে মেলে ধরেন মাহমুদুল্লাহ। মুশফিক ব্যক্তিগত ২২ রানে ফিরে গেলেও একপ্রান্ত আগলে ক্যারিয়ারের ১৮তম ফিফটি তুলে নেন এই অলরাউন্ডার।
তবে মাহমুদুল্লাহকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত ৭৬ রানে মাহমুদুল্লাহ বিদায় নিলে ৪১ ওভার ১ বলে ১৪২ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।