স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে নেইমারবিহীন ব্রাজিল জয় পেয়েছে হেসেখেলে ৩-০ গোলে।
একটি করে গোল করেছেন মিরান্ডা, কুতিনহো ও পাউলিনহো।
জিততে হলে দল হয়ে খেলতে হতো রাশিয়ার কিন্তু দলগত ফুটবল প্রদর্শন করলো ব্রাজিল। আর তাতেই স্বাগতিক রাশিয়ার বিপক্ষে নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন ব্রাজিলিয়ানরা।
নেইমারবিহীন ব্রাজিল কোচ তিতেকেও সাজাতে হয়েছিল দল হয়ে খেলার ছক। সেই কৌশলে বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার ব্রাজিল সফল হয়েছে। জুনে অনুষ্ঠেয় রাশিয়া বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ও ফাইনাল ম্যাচ হবে যে স্টেডিয়ামে সেই ‘লুঝনিকি’ জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মহড়া শুরু করল ব্রাজিল।
এই ম্যাচের পর ব্রাজিল সমর্থকদের মনে যদি কোনো আফসোস থাকে তবে তা কেবল নেইমারের না খেলা নিয়েই। ফলাফলে নিশ্চয়ই খুশি ভক্তরা। তবে শুরু থেকেই রাশিয়াকে চেপে ধরলেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কৌতিনহো-পাউলিনহোরা। তখন হয়তো নেইমারের অভাবটা বেশি অনুভব হয়েছে। নেইমার ছাড়া এই ব্রাজিল গোল করতে পারে না— এমন প্রশ্নও উঠেছে। কিন্তু সেই ধারণা ম্যাচের ৫৩ থেকে ৬৬ মিনিটের মধ্যেই পাল্টে দেয় সেলেসাওয়ারা। রাশিয়াকে দেখায় সাম্বা নৃত্যের আসল রূপ।
৫৩ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে প্রথম গোলটি আসে ডিফেন্ডার মিরান্ডার সুবাদে। তার ১০ মিনিট পরেই পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে চলতি মৌসুমে বার্সেলোনায় নাম লেখানো ফিলিপে কৌতিনহো। কৌতিনহোর পরেই মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে বার্সেলোনার আরেক ফুটবলার পাউলিনহো হেড থেকে ব্যবধান ৩-০ তে নিয়ে যান।
১৩ মিনিটে তিন গোল খা্ওয়া রাশিয়া শেষ পর্যন্ত কয় গোল হজম করে সেই প্রহর হয়েতো গুনতে বসেছিল সমর্থকরা। কিন্তু পরে আর গোল পায়নি তিতের দল। পুরো ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিল যে আধিপত্য নিয়ে খেলেছে তাতে কোচের খুশি হওয়ারই কথা। ম্যাচের ৬৩ ভাগ বল নিজেদের পায়ে রেখে খেলেছেন মার্সেলো-উইলিয়ানরা।
ব্রাজিল গোলে শট নিয়েছে ২০টি যেখানে রাশিয়ার শট মাত্র ছয়টি। সেলেসাওয়ারা ৬৬৭ পাসের পসরা সাজান মাঠে। আর স্বাগতিক রাশিয়ার পাস সংখ্যা ছিল ৩৮১টি। সব মিলিয়ে ফেভারিটের মতোই খেলেছে ব্রাজিল।