খেলা

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম দুই পরাশক্তি ব্রাজিল-ফ্রান্স

রাশিয়া বিশ্বকাপ
রাশিয়া বিশ্বকাপ

রাশিয়া বিশ্বকাপে ফেভারিট দুটি দল বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও ফ্রান্স— ৫ বার বিশ্বকাপ জিতলেও ২০০২ সালের পর আর সোনালী ট্রফিটা ছুয়ে দেখা হয়নি সাম্বার দেশের ফুটবলারদের।

এবার নেইমার, গ্যাব্রিয়েল হেসুস, রবার্তো ফিরমিনোদের পারফর্মেন্সে ভর করে হেক্সা জয়ের স্বপ্ন দেখছে সেলেকাওরা।

এদিকে, শিরোপা জিততে মরিয়া আরেক ইউরোপিয়ান জায়ান্ট ফ্রান্সও। অ্যান্তোইন গ্রিজম্যান, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও অলিভিয়ের জিরুর মতো তারকা খেলোয়াড়রা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি এনে দেবেন, এমনটাই প্রত্যাশা ফ্রান্স সমর্থকদের।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর লুজনিকি স্টেডিয়ামে ১৪ জুন বাজবে বিশ্বকাপের কিক অফের বাঁশি। স্বপ্নের সোনালী বিশ্বকাপের জন্য সেরাদের এ লড়াইয়ে নামবে ৩২ দেশ। একুশতম আসরের ৬৪টি ম্যাচ হবে রাশিয়ার ১১টি শহরের ১২টি স্টেডিয়ামে।

এক মাসের এ লড়াই নিয়ে সমর্থক আর ভক্তদের মাঝে উন্মাদনার ঢেউ উঠছে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে।

বিশ্বকাপের সফলতম দল ব্রাজিল। পাঁচবার সোনালী ট্রফি জেতার কীর্তি গড়েছেন পেলে, কাফু, রোনালদো, রোনালদিনিয়োরা। শুধু রাশিয়া বিশ্বকাপই নয়, বিশ্ব ফুটবলের যে কোনো বড় আসরেই ফেভারিটের তালিকায় উপরের দিকে থাকে ব্রাজিলের নাম। আর বিশ্বকাপে তো তারা চিরন্তন ফেভারিট। ১৭ জুন সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে হেক্সা জয়ের মিশন শুরু করবে সাম্বার দেশটি।

শুধু অতীত ইতিহাস নয়, সাম্প্রতিক ফর্মও কথা বলছে সেলেকাওদের পক্ষে। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল অপরাজিত থেকে সবার আগে রাশিয়া বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছেন নেইমার, ক্যাসিওরা। প্রতিপক্ষের জালে ৪১টি গোল করে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিয়েছেন তারা।

দলটির সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার। মাত্র ২৬ বছর বয়সে ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে ৮৩টি ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ৫৩টি। দলকে ২০১৩ সালে জিতিয়েছেন ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ। ঘরের মাটিতে গেলো বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে হেরে হেক্সা জয়ের স্বপ্ন ম্লান হয়েছিলো। এবার সেই স্বপ্ন পূরণে আটঘাট বেধেই মাঠে নামবেন পেলে, রোমারিওর উত্তরসূরীরা।

প্যারিস সেন্ট জার্মেই'র হয়ে খেলতে গিয়ে ইনজুরিতে পড়েছিলেন নেইমার। সম্পূর্ণ ফিট হয়ে হয়ে হলুদ সবুজ জার্সিতে সবগুলো ম্যাচ খেলবেন, আশা করছেন ব্রাজিল ভক্তরা। শুধু নেইমার একা নন, ভরসা করার মতো অনেক ফুটবলারই আছে তিতের স্কোয়াডে। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফিলিপে কৌতিনিয়ো, গ্যাব্রিয়েল হেসুস, রবার্তো ফিরমিনো, মিরান্ডা, মার্সেলোরা জ্বলে উঠলে হয়তো ২০০২ সালের পর আবারো বিশ্ব ফুটবলের মুকুট পুনরুদ্ধার করতে পারে ব্রাজিল।

১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিলো ফ্রান্স। জিনেদিন জিদান, দিদিয়ের দেশাম, থিয়েরি অঁরিদের পর বিশ্বকাপের চার আসরে আর শিরোপা দেখা পায়নি দা ব্লু'রা। ২০০২ ও ২০১০ এ গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়, ২০০৬ এর ফাইনাল এবং সবশেষ আসরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বাদ পড়েছে ফরাসিরা। তবে, এবার সাফল্য পেতে মরিয়া দিদিয়ের দেশামের শীষ্যরা।

বাছাই পর্বে সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, ইতালির মতো দলকে পেছনে ফেলে রাশিয়া বিশ্বকাপের ফ্রন্ট লাইনে এসেছে ফরাসিরা। কিন্তু বাছাইপর্বে গোল সংকটে ছিলেন তাতের ফরোয়ার্ডরা। ?? ম্যাচে তারা গোল পেয়েছেন মাত্র ১৮টি। অবশ্য, ফ্রান্সের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রয়েছে তারকা স্ট্রাইকারের ছড়াছড়ি। অ্যান্তোইন গ্রিজম্যান, অলিভিয়ের জিরু, আলেকজান্দ্রে ল্যাকাজেত্তে, ওসমান দেম্বেলে, কিলিয়ান এমবাপ্পেদের গোলখরা ঘুচলে ভালো কিছু প্রত্যাশা করতেই পারেন ফ্রান্সের সমর্থকরা।

দেশটিভি/এএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

স্ত্রীর করা মামলায় জামিন পেলেন ক্রিকেটার আল আমিন

সিপিএলে ঝড়ো ফিফটিতে দল জিতিয়ে ম্যাচসেরা সাকিব

বাংলাদেশের তিন ম্যাচ আজ

ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের এক সপ্তাহ

কৃষ্ণাদের চুরি হওয়া অর্থ ফেরত দেবে বাফুফে

শিরোপা নিয়ে দেশে ফিরলেন সাফ চ্যাম্পিয়ন মেয়েরা

ছাদখোলা বাসে রাজধানীজুড়ে হবে বিজয় মিছিল

সাফের ফাইনালে প্রথমার্ধে দুই গোল বাংলাদেশের

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ