ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর হ্যাটট্রিকে স্পেনকে রুখে দিল পর্তুগাল— বিশ্বকাপের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি ড্র হয়েছে ৩-৩ গোলে। প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা আটটি বড় টুর্নামেন্টে গোলের রেকর্ড করেছেন রোনালদো। সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের রেকর্ডও এখন পর্তুগিজ উইঙ্গারের দখলে।
স্পেনের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে, আন্তর্জাতিক ফুটবলে হাঙ্গেরি গ্রেট পুসকাসের সর্বোচ্চ ৮৪টি গোলের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেন রোনালদো।
বিশ্বাকাপের এবারের আসরের প্রথম হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা করেছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা। পর্তুগাল-স্পেনের বি-গ্রুপের ম্যাচটিতে ঠিক তাই হয়েছে। খেলা শুরুর চার মিনিটের মধ্যে রোনালদোর রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ নাচো তাকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় পর্তুগাল।
ঠাণ্ডা মাথায় দলকে লিড এনে দেয়ার পাশাপাশি, প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা আটটি বড় টুর্নামেন্টে গোলের রেকর্ড গড়েন পর্তুগিজ অধিনায়ক।
শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে লিড নিয়ে পর্তুগিজরা যখন কিছুটা স্বস্তিতে তখন দিয়েগো কস্তার গোলে খেলায় সমতা আনে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন।
প্রথমার্ধের খেলার শেষদিকে স্প্যানিশ গোলরক্ষক ডেভিড দ্য হেয়ার ভুলে পর্তুগালকে আবারো লিড এনে দেন রোনালদো।
বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্পেনকে সমতায় ফেরান কস্তা।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যাচের সবচেয়ে সুন্দর গোলটি করেন নাচো। স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের ২৫ গজ দূর থেকে নেয়া বাঁকানো শটে খেলায় প্রথমবারের মতো লিড পায় স্পেন।
স্পেনের পাসিং ফুটবলের সামনে পতুগিজ খেলোয়াড়রা যখন অসহায়, তখন ২০ গজ দূর থেকে নেয়া ফ্রি-কিকে অসাধারণ এক গোল করেন রোনালদো। বিশ্বকাপের মঞ্চে হ্যাটট্রিক পূরণের পাশাপাশি পর্তুগালকে এনে দেন প্রায় জয়ের মতো এক ড্র। ৩-৩ গোলের ড্রয়ের ফলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে দুদল।