রাশিয়া বিশ্বকাপে শুভ সূচনা করেছে সুইডেন ও বেলজিয়াম। এফ গ্রুপের ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে সুইডেন। দিনের আরেক খেলায় জি গ্রুপে পানামাকে ৩-০ গোলে হারালো বেলজিয়াম।
নভগরোদ স্টেডিয়ামে, ২০০২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলায় দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হয় ১৯৫৮ বিশ্বকাপের রানার্স আপ সুইডেন।
শুরু থেকেই দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর আধিপত্য ধরে রাখে দা ব্লু ইয়েলোরা। ২০ মিনিটে মার্কাস বার্গের শট ফিরিয়ে দিয়ে নিশ্চিত গোল বাঁচান কোরিয়ার গোলরক্ষক জো হিউন উ।
পাল্টা আক্রমণ করে কোরিয়াও। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল করতে পারেনি তারাও। গোল শূণ্যভাবেই বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতি থেকে ফিরে গতিময় ফুটবল উপহার দেয় সুইডেন ও কোরিয়া। ৬৪ মিনিটে ভিক্টর ক্লাসেনকে ফাউল করেন কিম মিন উ। ভিএআর প্রযুক্তির সহায়তা পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেন রেফারি।
স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন সুইডেনের আন্দ্রেস গ্রাঙ্কভিস্ট।
এরপর গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে কোরিয়া। তবে, শেষদিকে মুহুর্মুহু আক্রমণ করেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি তারা।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ১-০ ব্যবধানের জয় পায় সুইডেন।
দিনের দ্বিতীয় খেলায় প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে আসা পানামার বিপক্ষে খেলতে নামে বেলজিয়াম। স্বভাবতই পানামার ওপর আধিপত্য বিস্তার করে রেড ডেভিলরা। শুরু থেকেই আক্রমণে যায় বেলজিয়াম। ৫
কেভিন ডে ব্রুইনের নেয়া কর্নার থেকে ড্রাইস মার্টেন্সের শট বার ঘেষে চলে গেলে গোলবঞ্চিত হয় বেলজিয়াম। ২০
৩৭ মিনিটে এডিন হ্যাজার্ডের শট ফেরান পানামা গোলরক্ষক জেইমি পেনেডো। দুর্দান্ত পারফর্ম করেন দিনামো বুকুরেস্তির এই গোলকিপার। ৩৭
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে খেলে রবার্তো মার্টিনেজের শীষ্যরা। ৪৬ মিনিটে স্কোরশিটে নাম তোলেন ড্রাইস মার্টেন্স।
৬৯ এডিন হ্যাজার্ড, কেভিন ডে ব্রুইন ও রোমেলু লুকাকুর চমৎকার রসায়নে লিড দ্বিগুন করে বেলজিয়াম।
৭৫ মিনিটে একক নৈপুন্যে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন বেলজিয়ামের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার রোমেলু লুকাকু।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বেলজিয়াম।