টানা দুটি বড় জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে এক পা দিয়ে রাখলো রাশিয়া।
প্রথম ম্যাচে পাঁচটির পর এবার তিনটি গোল করেছে আয়োজকরা। এ-গ্রুপের ম্যাচে এবার মোহাম্মদ সালাহর মিসরকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। পেনাল্টিতে সালাহ গোল পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে রাশিয়ার পনেরো মিনিটের তান্ডবে উড়ে যায় মিসর।
পরপর দুই ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ফারাওদের বিদায় প্রায় নিশ্চিত।
সৌদি আরবের বিপক্ষে উরুগুয়ে হার এড়ালেই রাশিয়ার শেষ ষোলোতে যাওয়া নিশ্চিত হয়ে যাবে। আর এক ম্যাচ হাতে রেখেই ফিরতি টিকেট কাটতে হবে মিসরের।
১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে সবশেষ নক-আউট পর্বে খেলেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। আবারো সেই কীর্তি গড়ার লক্ষে মিসরের বিপক্ষে শুরু থেকে আক্রমণ শানাতে থাকে রুশরা।
খেলার শুরুর কয়েক মিনিট উত্তেজনা থাকলেও প্রথমার্ধের বাকিটা ছিল নিষ্প্রাণ। চোট কাটিয়ে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নামা মোহাম্মদ সালাহ সুযোগ পেয়েও মিসরকে এগিয়ে নিতে পারেননি।
যদিও বিরতির পর ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মিসরের আহমেদ ফাতির আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় রাশিয়া।
লিড পাওয়ার সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগায় রুশরা। পনেরো মিনিটের রুশ ঝড়ে উড়ে যায় মিসর। তিন মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করে খেলা মিসরের নাগালের বাইরে নিয়ে যান চেরিশভ ও জিউবা। টুর্নামেন্টে নিজের গোলের সংখ্যা বাড়িয়ে তিনে নিয়ে যান চেরিশভ। এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পাশে এখন তিনি।
চেরিশভের অসাধারণ গোলের পর জিউবার শটে ৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়া মিসরের জয়ের আশা ফিঁকে হয়ে যায়।
মিসরের হার যখন প্রায় নিশ্চিত তখন সালাহ ভক্তদের মনের আশা পূরণের জন্যই হয়তোবা পেনাল্টি পায় ফারাওরা। ঠাণ্ডা মাথায় দুর্দান্ত এক শটে নিজের বিশ্বকাপ অভিষেকে গোল আদায় করে নেন সালাহ। তবে মিসরকে খেলায় ফেরানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।