বিশ্বকাপে আজ-শনিবার তিনটি ম্যাচ— টিকে থাকার লড়াইয়ে মাঠে নামছে জার্মানি। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ সুইডেন। রাত ১২টায় শুরু হবে ম্যাচ।
এই ম্যাচ জিতলে নক-আউট নিশ্চিত হবে সুইডিশদের। আর হারে বিদায়ের ঘণ্টা বাজবে জার্মানির। এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় বেলজিয়াম-তিউনিশিয়া, ও রাত ৯টায় দক্ষিণ কোরিয়া-মেক্সিকোর লড়াই হবে। নিজ নিজ খেলায় জয় পেলে শেষ ষোলেতে উঠে যাবে বেলজিয়াম ও মেক্সিকো।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই তিনটি গোল করে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে বেলজিয়াম। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা পানামার বিপক্ষে সহজ জয়ে শেষ ষোলোর পথে বেলজিয়ানরা। তিউনিশিয়াকে হারালেই নক-আউট নিশ্চিত হয়ে যাবে আসরের অন্যতম শক্তিশালী দলটির।
কখনোই বিশ্বকাপ না জেতা বেলজিয়ামের ওপর প্রত্যাশার চাপ বেশি বলে মনে করেন ফরওয়ার্ড এডেন হ্যাজার্ড। যদিও এবারের বিশ্বকাপটা তাদের হতে যাচ্ছে বলেই বিশ্বাস চেলসি তারকার।
এদিকে, নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডকে প্রায় রুখেই দিয়েছিল তিউনিশিয়া। তবে বেলজিয়ামকে আটকাতে তিউনিশিয়ানদের কঠিন লড়াই করতে হবে।
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বকে তাক লাগানো মেক্সিকোর সামনে এবার দক্ষিণ কোরিয়া। এ ম্যাচে জিতলে নক-আউট নিশ্চিত মেক্সিকানদের। জার্মানদের মূলত কৌশলের খেলায় হারিয়েছিল মেক্সিকো। কোরিয়ার বিপক্ষে জয়ের জন্য আক্রমণের ধার আরো বাড়াতে পারে তারা।
এদিকে, মেক্সিকোকে আটকানো কঠিন হবে দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য। এ ম্যাচে হারলে কোরিয়ানদের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় প্রায় নিশ্চিত। তবে বিশ্বকাপের অতীত পরিসংখ্যান এশিয়ার প্রতিনিধিদের আশা দিচ্ছে। ২০০২ সালের পর বিশ্বকাপে পর পর দুই ম্যাচ জেতেনি মেক্সিকো।
বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে জার্মানির প্রতিপক্ষ এবার সুইডেন। প্রথম ম্যাচে কোনো পয়েন্ট না পাওয়ায় ই-গ্রুপে পরের দুটি ম্যাচই জার্মানদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। গত চার আসরের মধ্যে তিনটিতেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদলগুলো গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে। মেক্সিকোর কাছে প্রথম ম্যাচ হারায় জার্মানির সামনেও সেই শঙ্কা উঁকি দিচ্ছে। তবে এসব নিয়ে মাথাব্যথা নেই জোয়াকিম লোর শিষ্যদের। আগের ম্যাচের ভুল শুধরে সুইডিশদের বিপক্ষে ইতিবাচক ফলাফলের আশা করছে জার্মানরা।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছে সুইডেন। জার্মানিকে হারালেই শেষ ষোলোতে পাড়ি জমাবে সুইডিশরা। তবে বিশ্বকাপের ইতিহাস জার্মানির পক্ষে। টুর্নামেন্টে চারবারের দেখায় তিনবারই জিতেছে দিই মানশাফটরা। সুইডেনের বিপক্ষে জার্মানদের একমাত্র হারটি এসেছিল ১৯৫৮ বিশ্বকাপে।