ড্র করেও বি-গ্রুপ থেকে শেষ ষোলোর টিকেট কাটলো স্পেন ও পর্তুগাল।
মরক্কোর সঙ্গে ২-২ গোলে স্পেন আর ইরানের সঙ্গে ১-১ এ ড্র করেছে পর্তুগাল। এর ফলে পয়েন্ট তালিকায় হেরফের না হওয়ায় স্পেন বি-গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন আর পর্তুগাল গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে পরের রাউন্ডে পাড়ি জমিয়েছে। শেষ ষোলোতে স্পেন রাশিয়ার, আর পর্তুগাল উরুগুয়ের মোকাবেলা করবে।
আগের আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল স্পেন। কালিনিনগ্রাদে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা খেলার শুরুতেই আবারো সেই শঙ্কায় পড়ে। রামোস-ইনিয়েস্তার ভুলে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে মরক্কোকে এগিয়ে নেন খালিদ বুতেইব।
নিজের ভুলের ক্ষতিটা দ্রুত পুষিয়ে দেন ইনিয়েস্তা। স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের এগিয়ে দেয়া বলেই দলকে সমতায় ফেরান ইয়াগো আসপাস।
সমতায় থেকে বিরতিতে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে আবারো পিছিয়ে পড়ে স্পেন। বদলি খেলোয়াড় ইউসেফ এন নেসরি মরক্কোকে এগিয়ে নিলে গ্রুপ পর্ব থেকে স্পেনের ছিটকে পড়ার শঙ্কা উঁকি দিতে থাকে।
খেলা যখন শেষ পর্যায়ে তখন ইস্কোর নৈপূণ্যে ২-২ গোলের স্বস্তির ড্র পায় স্প্যানিশরা।
একই সময়ে বি-গ্রুপের আরেক ম্যাচেও উত্তেজনার কমতি ছিল না। ইরানের রক্ষণের দেয়াল ভাঙতে শুরু থেকেই আক্রমণ চালাতে থাকে পর্তুগাল। প্রথমার্ধের শেষ প্রান্তে রিকার্ডো কোয়ারেসমার অবাক করে দেয়া শটে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় পর্তুগিজরা।
পর্তুগালের লিড বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আগের দুই ম্যাচে চার গোল করেছিলেন তিনি। ইরানের বিপক্ষে পেনাল্টি পেয়ে গোলের সংখ্যা বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির মতো স্পটকিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
এরপর ইরানের আক্রমণ সামলাতে ব্যস্ত সময় পার করে পর্তুগিজরা। নিজেরাও আক্রমণে যায়। কিন্তু শেষবেলায় পেনাল্টি থেকে গোল করে ইরানিরে নতুন করে স্বপ্ন দেখান কারিম আনসারিফার্দ। কিন্তু ১-১ গোলে ড্রয়ে খেলা শেষ হলে, ইরানিদের স্বপ্ন ভেঙে যায়। আর পরের রাউন্ডের টিকেট পেয়ে যায় পর্তুগাল।