ই-গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপের নক-আউট পর্বের টিকেট কেটেছে ব্রাজিল।
পাওলিনিয়ো ও থিয়াগো সিলভার গোলে গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে সার্বিয়াকে ২-০ তে হারিয়েছে সেলেসাওরা। গ্রুপের আরেক ম্যাচে কোস্টারিকার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেও রানার্সআপ হিসেবে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে সুইজারল্যান্ড।
ফলে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল খেলবে মেক্সিকোর সঙ্গে— আর সুইসরা পেয়েছে সুইডেনকে।
হেক্সা মিশনের শুরুতে হোঁচট খেলেও গ্রুপ পর্বের বাধা ভালোভাবেই পেরিয়েছে ব্রাজিল। ই-গ্রুপের শেষ ম্যাচে ড্র করলেই চলতো নেইমারদের। সে লক্ষ্যে প্রথম থেকেই সার্বিয়ার রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে সেলেসাওরা।
ফল পেতে বেশি দেরি হয়নি। ফিলিপ কুতিনিয়োর অসাধারণ এক পাসে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে যান পাওলিনিয়ো। গোলরক্ষক ভ্লাদিমির স্টকোভিচের মাথার ওপর দিয়ে বল সার্বিয়ার জালে পাঠান সেলেসাও তারকা।
গত ২০১৬ সালে তিতে কোচের দায়িত্ব নেয়ার পর ব্রাজিলের হয়ে পাওলিনিয়োর এটি অষ্টম গোল। এই সময়ের মধ্যে শুধু নেইমার ও গ্যাব্রিয়েল জেসুস সেলেসাওদের হয়ে এর চেয়ে বেশি দশটি গোল করেছেন।
পুরো খেলায় গোলের একাধিক সুযোগ তৈরি করেন নেইমার। যদিও গোলদাতার তালিকায় নাম তুলতে পারেননি তিনি।
তবে বিরতির পর নেইমারের এগিয়ে দেয়া বল পেয়েই ব্রাজিলের লিড বাড়িয়ে নেন থিয়াগো সিলভা। গত আসরে অধিনায়ক হিসেবে নিজেদের মাটিতে শিরোপা জিততে ব্যর্থ হওয়া সিলভার গোলটিই সেলেসাওদের দ্বিতীয় রাউন্টের টিকেট এনে দেয়। আর বিদায়ঘন্টা বাজে সার্বিয়ার।
একই সময়ে হওয়া ই-গ্রুপের আরেক ম্যাচে ড্রয়ের জন্য, আগেই বিদায় নিশ্চিত হওয়া কোস্টারিকার বিপক্ষে সমানে সমানে লড়তে হয়েছে সুইজারল্যান্ডের। খেলার ত্রিশ মিনিটের মধ্যে ব্লেরিম জেমাইলির নৈপুণ্যে এগিয়ে যায় সুইসরা।
কিন্তু বিরতির পরপর কেন্ডাল ওয়াস্টনের গোলে খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনে কোস্টারিকা।
বদলি হিসেবে নেমে জোসেফ ডরমিচ গোল করলে পুরো তিন পয়েন্ট পাওয়ার স্বপ্ন দেখতে থাকে সু্ইজারল্যান্ড।
শেষপ্রান্তে কোস্টারিকা দলপতি ব্রায়ান রুইজির পেনাল্টি মিসের পর, বল গোলরক্ষক ইয়ান সোমারের গায়ে লেগে জালে প্রবেশ করলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় সুইসদের।