ইংল্যান্ডের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলো ক্রোয়েশিয়া। ক্রোয়াটরা খেলার প্রথম ৫ মিনিটে পিছিয়ে পড়েও- দারুণ লড়াই করে ১২০ মিনিটের লড়াই ২-১ গোলে জিতে নেয়। ১৫ জুলাই ফাইনালে সাবেক চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের সঙ্গে খেলবে তারা।
২৮ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শুরু থেকেই ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণে আক্রমণ। আর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ইংলিশরা পেল ফ্রি-কিক। অসাধারণ গোলে দলকে লিড এনে দেন ট্রিপিয়ার।
খেলা শুরু হতে না হতেই পিছিয়ে পড়ে গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ক্রোয়াটরা। ইংলিশদের জালে আক্রমণের পর আক্রমণ চালাতে থাকে তারা।
লিড বাড়ি নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন হ্যারি কেইন, হেসে লিংগার্ডরা। কিন্তু ইংল্যান্ড লিড দ্বিগুণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ক্রোয়াটদের আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকে।
প্রথমার্ধে একের পর এক চেষ্টা চালিয়ে ফল না পেলেও, বিরতির পর ক্রোয়েশিয়াকে আটকে রাখতে পারেনি ইংল্যান্ড। পেরিসিচের গোলে খেলায় সমতা এনে ফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখে ক্রোয়টরা।
৯০ মিনিটে খেলার মীমাংসা না হলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ত্রিশ মিনিটে। মারিও মানজুকিচের গোলে খেলায় প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। আর এই গোলেই নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য। ২-১ গোলের জয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ফাইনালের টিকেট পেয়ে যায় ক্রোয়াটরা।