শেষ ওভারে মুস্তাফিজের হিসেবী বোলিংয়ে হারের মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয়ে হাসি হাসলো বাংলাদেশ।
সেই সুবাদে ৩ রানে আফগানিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখলো টাইগাররা।
আবুধাবিতে শুরুতে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে ২৪৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দেয় মাহমুদুল্লাহ ও ইমরুল কায়েসের ১২৮ রানের দুর্দান্ত জুটি। রান তাড়ায় জয়ের সুবাস পাচ্ছিল আফগানরা— কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস আটকে যায় ২৪৬ রানে।
ওপেনিংয়ে আরেকটি সুযোগ পেয়েও হেলায় সেটি অপচয় করেন শান্ত। তিনে প্রমোশন পেয়ে লিটনও আস্থা অর্জনে ব্যর্থ। ১৮ রানে দুই উইকেট হারিয়ে আবারো নড়বড়ে সূচনা। সেটি অনেকটাই সামলে নেন লিটন ও মুশফিক জুটি। ৬৩ রানের এই জুটি ভাঙে ৪৩ বলে লিটনের ৪১ রানের সম্ভাবনাময় ইনিংসের অপমৃত্যুতে। এক বল পরেই সাকিবের রান আউটের আত্মহনন।
আরো এক ওভার পরে ইমরুলের বোঝাবুঝিতে ৩৩ করা মুশফিক রান আউট। এরপর শুরু ইমরুল ও মাহমুদুল্লাহর লড়াই। ২১তম ওভারে শুরু এই জুটি ভাঙে ৪৭তম ওভারে।
দীর্ঘ ১৯ বছর আগের রেকর্ড ভেঙে এ জুটিতে উঠে ১২৮ রান। ৮১ বলে ৭৪ রান করেন মাহমুদুল্লাহ। আর বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৮৭ বলে ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন ইমরুল।
২৫০ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে শুরুতে রান তুলতে ভুগতে হয় আফগানদের। পঞ্চম এভারে বল করতে এসে প্রথম বলেই উইকেট নেন মুস্তাফিজ। সাকিবের চোখ ধাধানো ফিল্ডিংয়ে দ্বিতীয় উইকেট হারায় আফগানরা।
তবে তৃতীয় উইকেটে ৬৩ ও চতুর্থ উইকেটে ৭৮ রানের জুটি আফগানদের জয়ের সম্ভাবনায় জাগিয়ে তোলে। কিন্তু শেষ স্পেলে মাশরাফি ও শেষ ওভারে মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জয়ের হাসি হাসে বাংলাদেশ।