চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। ইমরুল কায়েস ও লিটন দাশের ব্যাটে ভর করে জিম্বাবুয়ের দেয়া ২৪৭ রানের টার্গেট ৩৫ বল হাতে রেখেই টপকে যায় বাংলাদেশ।
অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে দ্বিতীয় ওয়ান ডে খেলতে নামে বাংলাদেশ। টস হেরে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। শুরুতেই ওপেনার হ্যামিলটন মাসাকাদজাকে ফেরত পাঠান পেসার সাইফ উদ্দিন।
এরপর ঝুয়াওয়ের সঙ্গে ৫২ ও ব্রেন্ডন টেইলরের সঙ্গে ৭৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন শন উইলিয়ামস। ঝুয়াও ২০, আর টেইলরের ব্যাট থেকে আসে ৭৫ রান।
দায়িত্ব নিয়ে খেলেন শন উইলিয়ামস। সিকান্দার রাজাকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন এই ব্যাটসম্যান।
ব্যক্তিগত ৪৭ রানে সাইফ উদ্দিনের বলে কট বিহাইন্ড হন শন উইলিয়ামস। এর মধ্য দিয়ে প্রথম বাংলাদেশি উইকেটরক্ষক হিসেবে ২০০ ডিসমিসালের এলিট ক্লাবে প্রবেশ করেন মুশফিকুর রহিম।
উইলিয়ামসের বিদায়ের পর দলের স্কোর এগিয়ে নেন সিকান্দার রাজা। ফিফটি থেকে এক রান দুরে থাকতে তাকে আউট করেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।
শেষ ১০ ওভারে নিয়ন্ত্রিত বল করে বাংলাদেশি বোলাররা। মাত্র ৫৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন মুস্তাফিজ, সাইফ উদ্দিনরা।
টেলএন্ডাররা তেমন রান না পেলে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেটে ২৪৬ রান করে জিম্বাবুয়ে। সাইফুদ্দিন নিয়েছেন ৩টি উইকেট।
জবাব দিতে নেমে, দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার ইমরুল কায়েস ও লিটন দাশের ব্যাটে ভর করে ১৬ ওভারে শত রানের কোঠা পার করে টাইগাররা।
লিটন দাশ প্রথম এবং ইমরুল কায়েস তুলে নেন ক্যারিয়ারের ষোলতম ফিফটি।
তবে ইনিংসকে দীর্ঘায়িত করে সেঞ্চুরিতে রূপ দিতে পারেননি লিটন। ব্যক্তিগত ৮৩ রানে সিকান্দার রাজার বলে ক্যাচ দেন তিনি।
প্রথম ওয়ানডের মতো এ ম্যাচেও কোনো রান করার আগেই বিদায় নেন ফজলে মাহমুদ।
মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে খেলতে থাকেন ইমরুল। তবে, টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি তিনি। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র দশ রান দুরে থাকতে লিটনের মতো সিকান্দার রাজার বলে ক্যাচ তুলে দেন ইমরুল।
মুশফিকুর রহিমের ৪০ এবং মোহাম্মদ মিঠুনের ২৪ রানে ভর করে ৪৪ ওভার ১ বলে৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।