আবারো ঢাকায় ফিরছে বিপিএল। একদিন বিরতি দিয়ে সোমবার দিনের প্রথম ম্যাচে দুপুর দেড়টায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স মুখোমুখি হবে রাজশাহী কিংসের।
দ্বিতীয় খেলায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় লড়বে ঢাকা ডায়নামাইটস ও চিটাগং ভাইকিংস।
৬ ম্যাচ খেলে ৪টিতে জিতে পয়েন্ট তালিকার ৩ রয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে খুলনা ও সিলেটকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী দলটি।
এদিকে, ৬ ম্যাচে তিনটিতে জিতে পয়েন্ট তালিকার পাঁচ নম্বরে আছে আনপ্রেডিক্টেবল রাজশাহী কিংস। তারা নিজেদের শেষ খেলায় শক্তিশালী ঢাকা ডায়নামাইটসকে হারিয়েছে।
দিনের খেলায় লড়াই হবে দুই জায়ান্টের। ঢাকা ডায়নামাইটস লড়বে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে। ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে ঢাকা আর ২ পয়েন্ট কম নিয়ে দুইয়ে আছে চিটাগং ভাইকিংস।
দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে দুটি দলই। ঢাকা চায় এ ম্যাচ জিতে শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ণ রাখতে। আর ঢাকাকে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠতে চায় মুশফিকুর রহিমের চিটাগং ভাইকিংস।
বিপিএল সিলেট:
শনিবার বিপিএল টি-টোয়েন্টিতে সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে শেষ ওভারে ৪ উইকেটের জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। সাত ম্যাচে এটি রংপুরের তৃতীয় জয়। আর সমান ম্যাচে সিলেটের এটি পঞ্চম হার।
হাই-স্কোরিং ম্যাচে সাব্বির-পুরানের ব্যাটে রংপুরকে ১৯৫ রানের টার্গেট দেয় সিলেট। ব্যাট হাতে অনেকদিন পর স্বরূপে দেখা যায় সাব্বির রহমানকে। ৫১ বলে ৫টি চার ও ছয়টি ছক্কায় ৮৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। ২৭ বলে ৪৭ রান আসে নিকোলাস পুরানের ব্যাট থেকে। ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রানের পাহাড় গড়ে সিলেট। দুটি উইকেট নেন মাশরাফি।
তবে অধিনায়ক ওয়ার্নারের এবারের বিপিএলে শেষ ম্যাচে দুই শো'র কাছাকাছি স্কোর গড়েও জিততে পারেনি সিক্সার্স। হেইলস, রুসো, ভিলিয়ার্সের পর মিঠুন-নাহিদুল আর ফরহাদ রেজার ব্যাটে তিন বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় রংপুর।
১৯ ওভার ৩ বলে ১৯৫ রান করে রাইডার্সরা। বিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচে ২১ বলে ৩৪ রান করেন ভিলিয়ার্স। এছাড়া হেইলস ২৪ বলে ৩৩ আর রুসো ৩৫ বলে ৬১ রান করনে। চারটি উইকেট পান তাসকিন।
এদিকে, শনিবার বিপিএলে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসের কাছে ২৬ রানে হেরেছে খুলনা টাইটান্স। চিটাগংয়ের দেয়া ২১৫ রানের বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৮ রান করে খুলনা।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে, দারুণ শুরু করে চিটাগং ভাইকিংস। ডেলপোর্ট ১৭ রান করে ফিরে গেলেও মোহাম্মদ শাহজাদের ৩৩, ইয়াসির আলীর ৫৪, মুশফিকুর রহিমের ৫২ ও দাশুন শানাকার অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৪ রানের বিশাল স্কোর গড়ে চিটাগং ভাইকিংস। জবাব দিতে নেমে, ১৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে খুলনা টাইটান্স। চতুর্থ উইকেটে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন ব্রেন্ডন টেইলর ও মাহমুদুল্লাহ। টেইলর ২৮ ও মাহমুদুল্লাহ ৫০ রান করে ফিরে গেলে জয়ের আশা ফিকে হয়ে যায় খুলনার। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৮ রান করে খুলনা টাইটান্স।