বিশ্বকাপজয়ী ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হল ক্রিস সিলভারউডকে। দলটির হেড কোচের লড়াইয়ে সবার আগে ছিলেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক অ্যালেক স্টুয়ার্ট। দৌড়ে ছিলেন ভারতকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করা গ্যারি কার্স্টেনও। তবে দু’জনকে টপকে ইংল্যান্ডের হেড কোচের পদে বসে পড়লেন সিলভারউড।
ইংল্যান্ডকে প্রথমবার ওয়ান ডে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করা কোচ ট্রেভর বেলিসের সহকারী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করা সিলভারউডেই আস্থা রাখে ইংল্যান্ডের কোচ বাছাইয়ের দায়িত্বে থাকা অ্যাশলে জাইলসরা। ইন্টারভিউয়ে নির্বাচক প্যানেলকে চমৎকৃত করার সুবাদে বোলিং কোচ থেকে হেড কোচের পদে উন্নীত হলেন সিলভারউড।
ইংল্যান্ডের নতুন হেড কোচ বাছাইয়ের দায়িত্বে ছিলেন ইসিবি’র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার টম হ্যারিসন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর অব মেনস ক্রিকেট অ্যাশলে জাইলস ও হেড অব কোচ ডেভেলপমেন্ট জন নেয়াল। নতুন কোচের নাম ঘোষণা করে জাইলস বলেন, ইন্টারভিউয়ে সিলভারউড লাল ও সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য নিজের পরিকল্পনার পরিচ্ছন্ন একটা ধারণা দিতে পেরেছে। দুই ক্যাপ্টেনের সঙ্গেই ওর ব্যক্তিগত সম্পর্ক দারুণ। প্রতিটি কাউন্টি দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংযোগ রয়েছে সিলভারউডের। তাছাড়া ক্রিকেটাররা অত্যন্ত সম্মান করে তাকে। এই অবস্থায় তাকেই আমাদের প্রথম পছন্দ মনে হয়েছে।
১৯৯৬ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে ছয়টি টেস্ট ও সাতটি ওয়ান ডে খেলেছেন সিলভারউড। দীর্ঘ ১৩ বছর ইয়র্কশায়ারের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলার পর কেরিয়ারের শেষ তিন বছর তিনি কাটিয়েছেন মিডলসেক্স। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাঁচশ ৭৭টি উইকেট রয়েছে তার। খেলা ছাড়ার পর ২০১০ সালে কোচিং স্টাফ হিসেবে এসেক্সের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। ২০১৬ সালে তিনি এসেক্সের হেড কোচ নিযুক্ত হন। ২০১৭ সালে সিলভারউডের কোচিংয়েই এসেক্স কাউন্টি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি টি-২০ ব্লাস্টের খেতাব জেতে।