লা লিগায় নিজেদের মাঠে দেপোর্তিভো আলাভেসকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বছরটা জয় দিয়ে শেষ করলো বার্সেলোনা। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে বার্সার প্রাণ ভোমরা লিওনেল মেসি এক অসাধারণ গোল করে চলতি বছর ক্লাব ও দেশের হয়ে ৫০তম গোলের মাইলফলক ছুলেন।
চলতি বছর করা ৫০তম গোলের সুবাদে টানা ষষ্ঠবারের মতো এক ক্যালেন্ডার ইয়ারে ৫০ কিংবা তদূর্ধ্ব গোলের রেকর্ড গড়লেন মেসি। তবে ২০১৩ সালে গোলের অর্ধশতক করতে পারলে রেকর্ডটা অন্য রকম হতে পারতো। টানা নবমবারের মতো ৫০ কিংবা তদূর্ধ্ব গোলের রেকর্ডে নাম উঠতো এই খুদে তারকার।
শনিবারের খেলায় গোল পেয়েছেন বার্সার আক্রমণভাগের নতুন ত্রয়ী মেসি-সুয়ারেজ-গ্রিজমান। খেলার ১৪ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে বল পেয়ে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান আঁতোয়ান গ্রিজমান। এরপর বেশ কিছু সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি বার্সেলোনা। প্রথমার্ধের বিরতির আগ মুহূর্তে সুয়ারেজের পাস থেকে গোল করে ২-০ ব্যবধানে দলকে এগিয়ে দেন আর্তুরো ভিদাল।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ আরও বাড়িয়ে দেয় বার্সা। ফলস্বরূপ ৫১ মিনিটে গোলও পেয়ে যায়। তবে মেসির পাস থেকে করা গ্রিজমানের গোলটি অফসাইডে বাতিল হয়। ৫৬ মিনিটে উল্টো গোল খেয়ে বসে ভালভার্দের দল। বার্সা রক্ষণের অসতর্কতাকে কাজে লাগিয়ে গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়ে আশা জাগান আলাভেস মিডফিল্ডার পেরে পনস।
তবে ৬৯ মিনিটে ডিবক্সের বাইরে থেকে বুলেট গতির শটে এক অসাধারণ গোল করে আলাভেসের স্বপ্ন মাটি করে দেন মেসি। লা লিগায় চলতি মৌসুমে এটি তার ১৩তম গোল। এরপর খেলার ৭৫ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে ৪-১ গোলে এগিয়ে নেন সুয়ারেজ। ভিদালের এক ক্রসে হেড করার জন্য লাফিয়ে উঠেছিলেন সুয়ারেজ। সে বল লাইন ক্রস করার আগে ডিফেন্ডারের হাতে লাগে। প্রথমে কর্নার দিলেও পরে ভিএআরের সুবিধা নিয়ে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেন রেফারি।
শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মেসিরা। এই জয়ে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে উঠলো বার্সেলোনা। এক ম্যাচ কম খেলে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।